রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

CJP-র আইনি বৈধতা কী? অভিজিৎ ডিপকের অর্থের উৎস কোথায়? প্রশ্ন RTI-কর্মীর

Assam Floods
---Advertisement---

আইনি বৈধতা নেই এমন কোনও রাজনৈতিক দল কি তহবিল সংগ্রহ করতে পারে? শুধুতাই নয়, CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকের আর্থিক পটভূমি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য তাঁর পড়াশোনার জন্য এতো বিপুল অর্থ কোথা থেকে এলো এবার সেই প্রশ্নই তুলে তদন্তের দাবি করলেন সুরাটের এক আরটিআই (RTI) কর্মী অমিত তিওয়ারি (Assam Floods)।

Assam Floods: কী নিয়ে বিতর্ক?

সূত্রের খবর, সুরাটের এক আরটিআই (RTI) কর্মী অমিত তিওয়ারি নির্বাচন কমিশন ও মহারাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ জানিয়েছেন, অভিজিৎ ডিপকের প্রতিষ্ঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) রেজিস্ট্রিকৃত দল না হয়েও রাজনৈতিক দলের মতো কার্যক্রম ও তহবিল চালনা করছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, অনুদান সংগ্রহের জন্য দলটিকে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্ট, ১৯৫১’-এর ২৯ ধারায় রেজিস্ট্রার থাকতে হবে (Assam Floods)।

CJP-কে আইনি ও আর্থিক সহায়তার জন্য সিনিয়র আইনজীবী ও রাজ্যসভার সদস্য কপিল সিবালের ঘোষণা করা ১ কোটি টাকা অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে আইনি ও জিএসটি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আরটিআই (RTI) কর্মী অমিত তিওয়ারি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ ঘরের ছেলে হয়ে, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কীভাবে আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার জন্য যান? সেই অর্থের উৎস কী?

অমিত তিওয়ারি আরও বলেন, “যদি সংগঠনটি কোনো রেজিস্ট্রার দল না হয়ে থাকে, তবে কোনো রাজনৈতিক দলের নামে এর কার্যক্রম পরিচালনা এবং তহবিল সংগ্রহ বা গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।”

তিওয়ারির অভিযোগ, অভিজিৎ ডিপকের বাবা চাকরিরত অবস্থায়, মাসে প্রায় ৬০,০০০ থেকে ৬৫,০০০ টাকা বেতন পেতেন। সেই পরিবার কীভাবে আমেরিকায় অভিজিৎ ডিপকের উচ্চশিক্ষার খরচ বহন করেছিল, অভিজিৎ সেখানে বোস্টন ইউনিভার্সিটিতে ‘পাবলিক রিলেশনস’-এ এমএস (MS) ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন।

তিনি মহারাষ্ট্র সরকারের কাছেও চিঠি লিখে অনুরোধ জানিয়েছেন। যেন তাঁর অভিযোগের উল্লিখিত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হয়।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment