NEET-এর প্রশ্ন ফাঁস বিতর্কে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজধানী। তরুণদের উদ্যমের জেদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এবার সেই আন্দোলন শেষ হতেই জন্ম হলো নতুন আন্দোলনের। কেন্দ্রের বিতর্কিত E20 পেট্রল নীতির বিরুদ্ধে শুরু হলো প্রতিবাদ। এই আন্দোলনের প্রধান মুখ তাহসিন পুনাওয়ালা। শনিবার দিল্লিতে পথে নামার ডাক দিয়েছিল, তাহসিন (Tehseen Poonawalla)। কিন্তু তার আগেই তাহসিন পুনাওয়ালাকে গৃহবন্দি করার অভিযোগ উঠল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গড়করির ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন তিনি। সেই কারণেই কী এই পদক্ষেপ নিল দিল্লি পুলিশ ?
Tehseen Poonawalla: কেন তাহসিনকে গৃহবন্দি করা হলো?
শনিবার সকালে তাঁর বাড়ির দরজায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকার বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি নিজেই। তিনি জানান কোনও অফিশিয়াল ওয়ারেন্ট বা লিখিত নথিপত্র ছাড়াই দিল্লি পুলিশের বিশাল বাহিনী ও মহিলা পুলিশ কর্মী তাঁর বাড়িতে আসেন। সমাজমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিয়োতে দেখা যায়, পুলিশ আধিকারিকরা তাঁকে বোঝাচ্ছেন, যে এই আন্দোলনের ফলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, তাই নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হচ্ছে (Tehseen Poonawalla)।
সমাজমাধ্যমের পোস্ট করা ভিডিয়োতে তিনি লেখেন, “দিল্লি বিশাল পুলিশ বাহিনী আমাকে গৃহবন্দি করে রেখেছে। এর মধ্যে মহিলা পুলিশ কর্মীরাও রয়েছেন। নীতিন গড়করি ইথানলকে ভয় পান।” অন্য একটি ভিডিয়োতে দেখা যায় তাহসিন এক পুলিশ কর্মীকে প্রশ্ন করছেন এবং তিনি বলেন কোনও নথিপত্র ছাড়া তাঁকে কেন আটকে রাখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “কোনও কাগজপত্র নেই, কিছুই নেই। আমি গৃহবন্দি… স্বাধীনতার ১৫ দিন আগে আপনি আমাকে আটক করছেন,” পুনাওয়ালাকে পুলিশ আধিকারিকদের বলতে শোনা যায়। তাঁর প্রতিবাদ মিছিলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে এবং তাঁকে সহযোগিতা করতে বলেন।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই সংসদ ভবনের সামনে একটি ‘গাড়ি মার্চ’-এর ডাক দিয়েছিলেন তাহসিন। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, দিল্লির ‘গান্ধী স্মৃতি’ পর্যন্ত তিনি হেঁটে যাবেন। মৌন প্রতিবাদ জানাবেন এবং অনশনে বসবেন। এর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘মার্চ ফর আওয়াজ কি আজাদি’। আর তার কয়েক ঘণ্টা আগেই গৃহবন্দি হলেন তাহসিন পুনাওয়ালা।









