রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

খাসির বদলে পাতে মুরগি মাংস? রণক্ষেত্র বিয়েবাড়ি! আহত বর সহ ১২

brawl in marriage ceremony
---Advertisement---

মটনের বদলে চিকেন? রণক্ষেত্রে বিয়েবাড়ি। এমনটাই দেখা গেল বিহারের একটি বিয়ে বাড়িতে। অভিযোগ, কথা ছিল খাসির মাংস খাওয়ানোর হবে নিমন্ত্রিতদের। কেন মুরগির মাংস খাওয়ানো হচ্ছে। পাত্রীপক্ষ কথা দিয়েছিল, বিয়েতে ঢালাও খাসির মাংসর ব্যবস্থা থাকবে। বরযাত্রীরাও আশায় আশায় ছিলেন, কবজি ডুবিয়ে খাসির মাংস খাবেন। কিন্তু খাবারের টেবিলে বসতেই পাতে পড়ল চিকেন! এই নিয়েই রণক্ষেত্র হয়ে উঠল বিহারের বিয়েবাড়ি। দু’পক্ষের তুমুল ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে গুরুতর আহত হলেন অন্তত ১২ জন (brawl in marriage ceremony)।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ছিল মহম্মদ আবদুল্লা ওরফে চাঁদের সঙ্গে মহম্মদ জাভেদের কন্যার বিয়ে। বিহারের সহর্ষ জেলার সিমরি বখতিয়ারপুরে বসেছিল বিয়ের আসর। যাবতীয় আচার অনুষ্ঠান সেরে, নিয়ম পালন করে নিকাহ সম্পন্ন হতে বেলা গড়িয়ে যায়। বিকেল তিনটে নাগাদ শেষ হয় নিকাহ। ক্ষুধার্ত বরযাত্রীরা যখন খেতে বসেছেন, তখনই সমস্যার সূত্রপাত। খাবারের পাতে খাসির বদলে মুরগি দেখে বরযাত্রীদের মেজাজ সপ্তমে। প্রতিশ্রুতি দিয়েও কেন খাসির মাংস খাওয়ানো হল না, সেই নিয়ে দু’চার কথা শুনিয়েও দেন (brawl in marriage ceremony)।

সেটা একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি কনেপক্ষ। মাংস না পেয়ে বরযাত্রীরা যখন ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে, তখন কনেপক্ষও পালটা সুর চড়াতে শুরু করে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। দেখতে দেখতে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে বিয়েবাড়ি। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল বেশ কয়েকটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, লাঠি নিয়ে একে অপরের দিকে তেড়ে যাচ্ছে দুই পক্ষ। কয়েকজনের হাতে তরোয়ালও দেখা যায়। মারধরের দৃশ্যও ধরা পড়েছে ভিডিয়োতে।

এই সংঘর্ষের জেরে শেষ পর্যন্ত বরসহ মোট ১২ জন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় সিমরী বখতিয়ারপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিয়ের আসরে এমন তুলকালাম কাণ্ডের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।

শঙ্করপুরে নিখোঁজ ট্রলার উদ্ধার, মিলল ৫ মৎস্যজীবীর দেহ; এখনও নিখোঁজ ১০


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment