হঠাৎ করে থমকে গেল যাত্রী সমেত ট্রেন। ব্যাপার কী? না কোনও যান্ত্রিক গোলযোগ নয়, ট্রেনের লোকো পাইলটের নির্ধারিত কাজের সময় শেষ, তাই তিনি আর ট্রেন চালাবেন না। এই কারণেই প্রায় তিন ঘন্টা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকলো ট্রেন।
ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের কিষানগঞ্জ জেলার ঠাকুরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে। মালদা থেকে শিলিগুড়ি যাচ্ছিল ট্রেনটি (৭৫৭১৯)। দুপুর ২টো ৫২ মিনিটে ঠাকুরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে পৌঁছলেও চালকের ডিউটির নির্ধারিত ৯ ঘণ্টা সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি নির্ধারিত সময়ের বেশি ট্রেন চালাতে পারবেন না বলে জানান। ফলে প্রায় তিন ঘণ্টা সেখানেই দাঁড়িয়ে ছিল ট্রেনটি।Train Halted
রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনের লোকো পাইলট রেল কর্তৃপক্ষকে জানান যে তাঁর ডিউটির নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে গেছে। তাই তিনি আর ট্রেন চালাতে পারবেন না। রেলের নিয়ম অনুযায়ী একজন লোকো পাইলট একটানা নির্দিষ্ট সময়ের বেশি ডিউটি করতে পারেন না। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই নিয়ম করা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি অতিরিক্ত সময় কাজ করতে অস্বীকার করেন।
এই ঘটনায় ট্রেনে থাকা বহু যাত্রী সমস্যায় পড়েন। অনেকেই কাজের জন্য বা ব্যক্তিগত কারণে শিলিগুড়ি ও আশপাশের এলাকায় যাচ্ছিলেন। কিন্তু ট্রেন দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে বিরক্তি বাড়তে থাকে। কেউ কেউ স্টেশনেই অপেক্ষা করতে থাকেন, আবার কেউ বিকল্প পথে যাতায়াতের চেষ্টা করেন।
শেষ পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। তবে লোকো পাইলটের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ঘটনাটি নিয়ে এখন বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, নিয়ম মেনে নিরাপত্তার কথা ভাবাই ঠিক, একেবারে অভিনব প্রতিবাদ। একজন কর্মী তার জন্য নির্ধারিত সময়ের বেশি কাজ করবেনই বা কেন? আবার অনেকে যাত্রীদের ভোগান্তির কথাও বলেছেন। Train Halted
এই ঘটনায় নতুন করে রেল কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা ও তাদের কর্মীদের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালনে গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।












1 thought on “Train Halted: ডিউটির পর কাজ নয়, যাত্রিবাহী ট্রেন রেখে চলে গেলেন লোকো পাইলট”