(BCCI Injury Crisis) ভারতীয় ক্রিকেটে চোট-আঘাতের সমস্যা ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। একের পর এক তারকা ক্রিকেটারের চোট এবং পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছর বা তার কিছু বেশি সময়ে বোর্ডের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে (CoE) চিকিৎসা ও পুনর্বাসন করিয়েছেন ভারতীয় পুরুষ দলের ৩২ জন প্রথম সারির ক্রিকেটার। পরিস্থিতি সামাল দিতে চলতি অর্থবর্ষে CoE-র বাজেট বাড়িয়ে ১২৭ কোটি টাকা করেছে BCCI।
Table of Contents
৩৫ কোটি টাকা বাড়ল বাজেট
টাইমস অফ ইন্ডিয়া (TOI)-র রিপোর্ট অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে CoE-র জন্য বরাদ্দ ছিল ৯২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে তা প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বাড়িয়ে ১২৭ কোটি করা হয়েছে। (BCCI Injury Crisis) বিশেষ করে গত আইপিএল মরশুমের পর CoE-তে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ক্রিকেটারদের আনাগোনা বেড়েছে। চোটের সমস্যা মোকাবিলায় বোর্ড এখন আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
কোহলি-রোহিত থেকে বুমরাহ, চোটের তালিকায় তারকারা

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং টেস্ট ও একদিনের দলের অধিনায়ক শুভমন গিল ক্রিকেটারদের বারবার চোট পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। (BCCI Injury Crisis) গত এক বছরে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাও পুনর্বাসনের জন্য CoE-তে গিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে সেখানে যান রোহিত। কোহলিও এই বছর প্রথমবার পুনর্বাসনের জন্য CoE-তে যান।
এ ছাড়াও যশপ্রীত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়া, ওয়াশিংটন সুন্দর, নীতীশ কুমার রেড্ডি, হর্ষিত রানা এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ নিয়মিত CoE-তে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য যাচ্ছেন। তবে তাঁরা কতবার সেখানে গিয়েছেন, সেই সংখ্যা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি।
এশিয়াডে পদকহীন ৮৯ অ্যাথলিট, ২৭ কোটির হিসাব চাইছে ক্ষুব্ধ ক্রীড়ামন্ত্রক
২০ মাসে চিকিৎসা ৬৮ ক্রিকেটারের
(BCCI Injury Crisis) গত ২০ মাসে পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ৬৮ জন ক্রিকেটার CoE-তে চিকিৎসা পেয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশেরই চোট ছিল পেশি ও নরম টিস্যু-সংক্রান্ত। উল্লেখযোগ্যভাবে, সংঘর্ষ বা সরাসরি আঘাতজনিত ঘটনা হিসেবে উঠে এসেছে ঋষভ পন্থের চোট। গত বছর ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টে পায়ের হাড় ভাঙার পর তাঁর চিকিৎসা করা হয়।
কোভিডের পর ফের বাড়ছে উদ্বেগ
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০-২১ মরশুমে কোভিড পরিস্থিতিতে বায়ো বাবলের মধ্যে থাকার সময় শেষবার এত বেশি নরম টিস্যুর চোটের সমস্যা দেখা গিয়েছিল। এদিকে, ২০২৫ সালের জুন থেকে শূন্য থাকা CoE-র স্পোর্টস সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন (SSM) বিভাগের প্রধানের পদে নিয়োগের জন্য সম্প্রতি আবেদন চেয়েছে BCCI। ক্রিকেটারদের চোট নিয়ন্ত্রণ ও ফিটনেস ব্যবস্থাপনায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।(BCCI Injury Crisis)










