রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

লাল-হলুদ তারুণ্যের ধাক্কায় আটকে মোহনবাগানের ‘বড়’-রা, ড্র কলকাতা লিগের ডার্বি

Published on: September 7, 2026
Mohun Bagan vs East Bengal
---Advertisement---

এবারও নিজেদের জায়গা বজায় রাখলো ইস্টবেঙ্গল। কলকাতা ডার্বিতে হারাতে পারল না মোহনবাগান। এই ম্যাচে দুটো দলই গোল করল। সোমবার বারাসত স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে স্কোর হলো ১-১। মোহনবাগানের হয়ে গোল করলেন মনবীর সিং। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের হয়ে সমতা ফেরান মহম্মদ বিলাল। দুই দলই নিজেদের স্কোর ভাগ করে নিলেন (Mohun Bagan vs East Bengal)।

Mohun Bagan vs East Bengal: এগিয়েই ইস্টবেঙ্গল

সোমবার লাল-হলুদ ব্রিগেডে কোনও সিনিয়র ফুটবলারকে খেলতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে মোহনবাগানের দলে ছিল একাধিক সিনিয়র ফুটবলার। ছিলেন মেহতাব, আপুইয়া, মনবীর এবং শুভাশিসের মতো অভিজ্ঞরা। তবুও জিততে পারলো না মোহনবাগান। এই ফলাফলে কিছুটা হলেও হতাশ বাগান সমর্থক (Mohun Bagan vs East Bengal)।

ম্যাচের প্রথম ৮ মিনিটে, বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিক পায় ইস্টবেঙ্গল। ডানপায়ে বাঁকানো শট নেন বিজয় মূর্মু। কিন্তু বলটা অন টার্গেটে রাখতে পারেননি তিনি। ফলে বল পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে চলে যায়। ২৫ মিনিটে, মোহনবাগান একাধিক সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। বক্সের বাইরে থেকে শুরু করে বক্সের ভিতরে, সুযোগ পেলেও, সেই সুযোগ হারায় সবুজ মেরুন।

৩৬ মিনিটে, ইস্টবেঙ্গলের বিক্রম প্রধান হেড করে বল দিতে যান গোলকিপার গৌরব সাউকে। কিন্তু বল নিয়ে নেন রান মনবীর সিং। এগিয়ে আসেন গৌরব। মনবীর বল না পেলেও সেটা গৌরবের হাতে লেগে বেরিয়ে যায়। পিছনে ছিলেন কিয়ান। যদিও তাতে কোনও সমস্যা হয়নি। কিয়ানের নাগাল পাওয়ার আগে বল ধরে নেন গৌরব।

৩৮ মিনিটে, টানা ডিফেন্স করতে করতে ছন্দ হারায় ইস্টবেঙ্গল। তবে, ৬৪ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। বিলালের গোলে ম্যাচে ফেরে লাল-হলুদ ব্রিগেড। কর্নার থেকে দুর্দান্ত বল বাড়ানো হয়, আর সবার উপর উঠে হেড করেন বিলাল। তাঁর হেডারটি নিখুঁতভাবে দূরের পোস্টে গিয়ে জালে জড়িয়ে যায়।

ফলে, কলকাতা ফুটবল লিগের গ্রুপ এ থেকে ইতিমধ্যেই সুপার সিক্সের টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। গ্রুপের প্রথম তিন দলের মধ্যে থেকে জায়গা করে নিয়েছে দুই প্রধান।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

Leave a Comment