কলকাতা ডার্বি মানেই আলাদা উত্তেজনা। পয়েন্ট টেবিলে এই ম্যাচের কোনও প্রভাব না থাকলেও ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দ্বৈরথে তার গুরুত্ব কখনও কমে না। সোমবার বারাসত স্টেডিয়ামে ফের মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। আর এই ডার্বিতে সিনিয়র দলের নামজাদা ফুটবলারদের নামিয়ে দ্রুত শক্তি বাড়ানোর পথে হাঁটছে না ইস্টবেঙ্গল। বরং কলকাতা লিগে এত দিন যারা ভালো খেলেছেন, তাঁদের উপরেই আস্থা রাখছে লাল-হলুদ শিবির।
গত দশটি ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের ডাগআউটে ছিলেন অর্চিস্মান বিশ্বাস। ডার্বিতেও তিনি থাকবেন। তাঁর সঙ্গে দায়িত্ব সামলাবেন বিনো জর্জ। দলের হেড কোচ অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাস অবশ্য সক্ষেরাসরি হস্তপ করছেন না। কলকাতা লিগে মোহনবাগানের খেলা দেখে কোথায় কীভাবে দলকে খেলাতে হবে, সেই পরামর্শ বিনোর মাধ্যমে দিয়েছেন তিনি।
East Bengal: সিনিয়রদের না নামিয়েই লড়াই
ডার্বি জিততে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট সিনিয়র দলের একাধিক ফুটবলারকে নামানোর পরিকল্পনা করলেও ইস্টবেঙ্গল সেই পথে হাঁটছে না। শৌভিক চক্রবর্তী, গেহলত, এডমুন্ড, ডেভিডদের কলকাতা লিগের ডার্বিতে নামানোর বিষয়ে প্রথমে প্রাথমিক সম্মতি থাকলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন হাবাস।ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ডার্বির জন্য সিনিয়র দলের কোনও ফুটবলারকে নথিভুক্ত করা হয়নি। হাবাসের বক্তব্যও পরিষ্কার—কলকাতা লিগে যে ফুটবলাররা দলকে এখনও অপরাজিত রেখেছেন, তাঁরাই ডার্বির মতো বড় ম্যাচের চ্যালেঞ্জ সামলাবেন।
রবিবার সিনিয়র দলের অনুশীলন নেই। তাই ডার্বির আগে সিনিয়র দলের কোনও ফুটবলারকে অনুশীলন করিয়ে মাঠে নামানোর অনুমতিও হাবাস দেবেন না বলেই খবর। যদিও বিনো জর্জ মধ্যাহ্নভোজের টেবিলে এই বিষয়ে অনুরোধ করবেন বলে জানিয়েছেন। তাতেও স্প্যানিশ কোচের সিদ্ধান্ত বদলানোর সম্ভাবনা খুব কম।
বারাসতে ডার্বির নিরাপত্তায় ১১০০ পুলিশ, সমর্থকদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা
তরুণদের ফিটনেসই বড় ভরসা
গৌরব সাহুর হাতেই থাকবে গোলরক্ষার দায়িত্ব। ইতিমধ্যেই তিনি জানিয়েছেন, ডার্বি জিতেই আনন্দ করতে চান। ডুরান্ড কাপে সিনিয়র দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বড় দলের সাজঘরের আত্মবিশ্বাস তরুণদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে চান তিনি।
রক্ষণে অঙ্কন ভট্টাচার্যের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন মনতোষ মাঝি। অঙ্কনের পারফরম্যান্সে ইতিমধ্যেই মুগ্ধ হাবাস। তাঁকে সিনিয়র দলের জন্যও নির্বাচিত করেছেন কোচ। দুই সাইড ব্যাক হিসেবে থাকবেন বিক্রম প্রধান ও জয় বাজ। রক্ষণ সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন চাকু মাণ্ডি।
মাঝমাঠে তন্ময় দাস, বিজয় মুর্মু ও আকাশ হেমরাম। তাঁদের সামনে নাম্বার টেনের ভূমিকায় অনন্তু। আক্রমণে থাকবেন মনতোষ চাকলাদার। অর্থাৎ আগে রক্ষণ শক্ত করে ধরে, তার পর সুযোগ বুঝে দ্রুত আক্রমণে যাওয়াই ইস্টবেঙ্গলের পরিকল্পনা। (East Bengal)
এদিকে শেষ ম্যাচে ইউনাইটেড কলকাতার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলেন আকাশ হেমরাম। সোমবারের ডার্বি তাঁর কাছে আরও বিশেষ। কারণ, কলকাতা ডার্বিতে খেলার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে তাঁর। আকাশের বাবা-মা গ্যালারিতে বসেই ছেলের প্রথম ডার্বি দেখবেন। তাঁদের সামনে ভালো খেলে দলকে জয় এনে দেওয়াই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাই নামী তারকাদের উপর নির্ভর না করে নিজেদের শক্তিতেই ডার্বির মঞ্চে বাজিমাত করতে চাইছে ইস্টবেঙ্গল।












The game variety here is insane! I love how the slots run without any lag, making the whole experience much more immersive. Highly recommended for slot enthusiasts. Visit evoplayslot