রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বিদেশি নয়, বিশ্বকাপ জয়ে দেশীয় কোচেই বাজিমাত

Native Coaches
---Advertisement---

বাংলার প্রতিবেদন

ফুটবল বিশ্বকাপের ৯২ বছরের ইতিহাসে একটি পরিসংখ্যান বারবার একই বার্তা দিচ্ছে—বিদেশি কোচের অধীনে এখনও কোনও দেশ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। (Native Coaches) ১৯৩০ সালের প্রথম আসর থেকে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২২টি টুর্নামেন্টের প্রতিটিতেই শিরোপা জিতেছে সেই দেশেরই নাগরিক কোচের দল। অর্থাৎ, ২২টির মধ্যে ২২ বারই চ্যাম্পিয়ন কোচ ছিলেন দেশীয়; বিদেশি কোচের সাফল্যের হার শূন্য শতাংশ।

বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী দেশও খুব বেশি নয়। এখন পর্যন্ত মাত্র ৮টি দেশ ট্রফি জিতেছে। তাদের মধ্যে ব্রাজিল সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। জার্মানি ও ইতালি ৪ বার করে, আর্জেন্টিনা ৩ বার, উরুগুয়ে ও ফ্রান্স ২ বার করে, আর ইংল্যান্ড ও স্পেন ১ বার করে বিশ্বকাপ জিতেছে। এই ৮ দেশের প্রতিটি শিরোপাই এসেছে নিজ (Native Coaches) দেশের কোচের হাত ধরে।

(Native Coaches) উরুগুয়ের দুই শিরোপা এসেছে আলবের্তো সুপিচ্চি (১৯৩০) এবং হুয়ান লোপেস (১৯৫০)-এর নেতৃত্বে। ইতালির ৪টি শিরোপার পেছনে ছিলেন ভিতোরিও পোৎসো, এনজো বেরজট ও মার্সেলো লিপ্পির মতো ইতালীয় কোচরা। জার্মানির ৪টি বিশ্বকাপ জয়ের সময় কোচ ছিলেন সেপ হারবার্গার, হেলমুট শ্যোন, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার ও জোয়াকিম ল্যোভ—চারজনই জার্মান নাগরিক।

ব্রাজিলের ৫টি শিরোপার প্রতিটিতেই কোচ ছিলেন ব্রাজিলীয়। ভিসেন্তে ফেওলা, আইমোরে মোরেইরা, মারিও জাগালো, কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা এবং লুইজ ফিলিপ স্কোলারি—এই পাঁচজনের নেতৃত্বেই এসেছে সেলেকাওদের বিশ্বকাপ সাফল্য। আর্জেন্টিনার ৩টি শিরোপা এসেছে সেজার লুইস মেনোত্তি, কার্লোস বিলার্দো এবং লিওনেল স্কালোনির অধীনে।

ফ্রান্সের ২টি বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্যে ছিলেন এমে জাকে ও দিদিয়ে দেশঁ। স্পেনের একমাত্র শিরোপা এসেছে ভিসেন্তে দেল বস্কের অধীনে, আর ইংল্যান্ডের ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক সাফল্যের কোচ ছিলেন আলফ র‍্যামজি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপজয়ী ২২টি দলের ২২ জন কোচই ছিলেন নিজ নিজ (Native Coaches) দেশের নাগরিক—সাফল্যের হার ১০০ শতাংশ।

একটি বিশ্বকাপে ১৩ গোলের নজির কি ভাঙতে চলেছে?

বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী দেশও খুব বেশি নয়। এখন পর্যন্ত মাত্র ৮টি দেশ ট্রফি জিতেছে। তাদের মধ্যে ব্রাজিল সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—১৯৫৮ সালে ভিসেন্তে ফেওলা, ১৯৬২ সালে আইমোরে মোরেইরা, ১৯৭০ সালে মারিও জাগালো, ১৯৯৪ সালে কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা এবং ২০০২ সালে লুইজ ফেলিপে স্কলারির অধীনে। জার্মানি ৪ বার শিরোপা জিতেছে—১৯৫৪ সালে সেপ হারবার্গার, ১৯৭৪ সালে হেলমুট শ্যোন, ১৯৯০ সালে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার ও ২০১৪ সালে জোয়াকিম ল্যোভের নেতৃত্বে। ইতালিও ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ভিতোরিও পোৎসো, ১৯৮২ সালে এনজো বেরজট এবং ২০০৬ সালে মার্সেলো লিপ্পির অধীনে।

উরুগুয়ের দুই শিরোপা এসেছে ১৯৩০ সালে আলবের্তো সুপিচ্চি এবং ১৯৫০ সালে হুয়ান লোপেসের নেতৃত্বে। আর্জেন্টিনার ৩টি শিরোপা এসেছে ১৯৭৮ সালে সেজার লুইস মেনোত্তি, ১৯৮৬ সালে কার্লোস বিলার্দো এবং ২০২২ সালে লিওনেল স্কালোনির অধীনে। (Native Coaches)

ফ্রান্সের ২টি বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্যে ছিলেন ১৯৯৮ সালে এমে জাকে ও ২০১৮ সালে দিদিয়ে দেশঁ। স্পেনের একমাত্র শিরোপা এসেছে ২০১০ সালে ভিসেন্তে দেল বস্কের অধীনে, আর ইংল্যান্ডের ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক সাফল্যের কোচ ছিলেন আলফ র‍্যামজি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপজয়ী ২২টি দলের ২২ জন কোচই ছিলেন নিজ নিজ (Native Coaches) দেশের নাগরিক—সাফল্যের হার ১০০ শতাংশ।

পরিসংখ্যান বলছে, বড় টুর্নামেন্টে বিদেশি কোচ নিয়োগ নতুন কিছু নয়। বহু দেশ বিদেশি কোচের অধীনে সেমিফাইনাল, কোয়ার্টার ফাইনাল এমনকি ফাইনালেও উঠেছে। তবে শিরোপার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সাফল্য এসেছে (Native Coaches) দেশীয় কোচদের হাতেই। ২২ আসরের এই ধারাবাহিকতা ফুটবল বিশ্লেষকদের কাছে একটি শক্তিশালী ট্রেন্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই পরিসংখ্যান আবারও আলোচনায়। অনেকের মতে, জাতীয় দলের সংস্কৃতি, খেলোয়াড়দের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বোঝাপড়া, এবং দেশের ফুটবল কাঠামো সম্পর্কে গভীর ধারণা—এই তিনটি উপাদান বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় বড় ভূমিকা রাখে। সংখ্যাগুলো অন্তত এখন পর্যন্ত সেটাই বলছে: বিশ্বকাপ জয়ের জন্য বিদেশি কোচ নয়, দেশীয় কোচই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমাধান।

পিকফোর্ডের জলের বোতলে ‘গোপন’ পেনাল্টির টিপস, হেসে লুটোপুটি মেসিরা; ভাইরাল ভিডিয়ো, বিশ্বকাপে নতুন চর্চা


Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

1 thought on “বিদেশি নয়, বিশ্বকাপ জয়ে দেশীয় কোচেই বাজিমাত”

Leave a Comment