দুই বছর ধরে বড় শিরোপার খরা, চোট, আত্মবিশ্বাসের টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন (PV Sindhu) পিভি সিন্ধু। সেই সময়ই বিরাট কোহলির একটি ছোট্ট পরামর্শ যেন নতুন করে পথ দেখায় ভারতের তারকা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়কে। আর সেই বিশ্বাসকে সঙ্গী করেই ইতিহাস গড়লেন তিনি।
প্রথম ভারতীয় হিসেবে ২০২৬ সালের জাপান ওপেন জিতে ইতিহাস গড়েছেন (PV Sindhu) পিভি সিন্ধু। প্রায় দুই বছর পর বড় কোনও আন্তর্জাতিক খেতাব জয়ের পথে কঠোর অনুশীলন, নিয়ন্ত্রিত ডায়েট ও বৈজ্ঞানিক প্রস্তুতির পাশাপাশি বিরাট কোহলির একটি পরামর্শও বড় ভূমিকা নিয়েছে।
PV Sindhu: কোহলির পরামর্শেই ফিরল সিন্ধুর হারানো আত্মবিশ্বাস
ফর্মহীনতার সময়ে সিন্ধু জানতে চেয়েছিলেন, দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক শতরানের অপেক্ষায় থাকার সময় কীভাবে নিজেকে সামলেছিলেন কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেট তারকার উত্তর ছিল সহজ—রান করার আনন্দটা আবার খুঁজে পেতে হবে। সেই কথাই সিন্ধুর মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল।
এদিকে পায়ের আঙুলের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে তিন মাস বিশ্রামে ছিলেন সিন্ধু। সেই সময় স্বামী ভেঙ্কটা দত্ত সাই তাঁকে নিয়ে যান আমেরিকার আটলান্টায়। সেখানে Exos Sports Performance সেন্টারে ওয়েন, টিম ও রায়ানের তত্ত্বাবধানে তিন সপ্তাহ ধরে চলে পুনর্বাসন ও শক্তি বাড়ানোর বিশেষ প্রশিক্ষণ। স্বামী ভেঙ্কটা দত্ত সাই জানান, পরিবারের স্বাভাবিক পরিবেশে সিন্ধুর মধ্যে আবার ব্যাডমিন্টন খেলার আনন্দ ফিরিয়ে আনাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য।
(PV Sindhu) সিন্ধুর সাফল্যের পিছনে তাঁর ১৩ সদস্যের সাপোর্ট টিমেরও বড় অবদান রয়েছে। জাপান ওপেনের ফাইনালে আকানে ইয়ামাগুচিকে হারিয়ে খেতাব জেতার পর দলের অনেকেই আবেগে কেঁদে ফেলেন।
প্যারিস অলিম্পিকের পর পারফরম্যান্স ডেটা বিশ্লেষণে দেখা যায়, (PV Sindhu) সিন্ধুর আক্রমণাত্মক মানসিকতা কমে গিয়েছিল। একটি পয়েন্ট জিততে তাঁকে একাধিক আক্রমণ করতে হচ্ছিল, ফলে ভুলের সম্ভাবনাও বাড়ছিল। পাশাপাশি লাইন জাজমেন্টের ভুল সিদ্ধান্তও বেড়ে গিয়েছিল।
ফিটনেসে বাড়তি জোর দিতে কোচিং স্টাফের পরামর্শে জাপান ওপেনের আগে ৩.৫ কেজি ওজন কমান সিন্ধু। প্রোটিনের প্রধান উৎস ছিল চিকেন। আর টোকিওতে ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের পর পুরস্কার হিসেবে মিলেছিল তাঁর প্রিয় আইসক্রিম। এই পুরো যাত্রায় কোহলির একটি বাক্যই যেন সিন্ধুর আত্মবিশ্বাস ও সাফল্যের নতুন ভিত্তি তৈরি করে দেয়।
বাছাইপর্বের আগেই ২০৩০ বিশ্বকাপে নিশ্চিত ৬ দেশ, জানেন কেন?












1 thought on “বিরাটের পেপ টকে কামব্যাক, কী ভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন পিভি সিন্ধু?”