পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম বেলুড় মঠ পরিদর্শনে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) । স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠে রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, মা সারদা ও বীর সন্ন্যাসী স্বামীজীকে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। বেলুড় মঠ-এর সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দজী মহারাজ, ও সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রনন্দজী মহারাজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, প্রণাম করেন ও আশির্বাদ নেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) ।
এদিন সকালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের বিশ্ব সদর দফতরে পৌঁছান। মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে মঠ প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ভক্ত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দিপনা দেখা যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান। সেখানে তিনি পরমপুরুষ রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত কক্ষে যান এবং সেখানে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রণাম জানান। সেখান থেকে তিনি স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির ও মা সারদাদেবীর মন্দিরে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও প্রণাম করেন। মঠের শান্ত ও পবিত্র পরিবেশে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পর, মুখ্যমন্ত্রী রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের বর্তমান অধ্যক্ষ তথা প্রেসিডেন্ট মহারাজের সঙ্গে এক সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করেন। মঠের প্রবীণ সন্ন্যাসীরা মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে এবং মঠের পবিত্র স্মারক ও প্রসাদ দিয়ে স্বাগত জানান। স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ রাজ্যের সামগ্রিক শান্তি, জনকল্যাণ এবং সমৃদ্ধি কামনা করে নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে আশীর্বাদ করেন।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) জানান, স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও রামকৃষ্ণ মিশনের মানবসেবার দর্শন সর্বদা সমাজকে পথ দেখায়। বাংলার সাড়ে দশ কোটি মানুষের সেবা করার যে নতুন দায়িত্ব তিনি কাঁধে নিয়েছেন, তা সফলভাবে পালন করতে এবং রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তিনি এই পুণ্যভূমিতে আশীর্বাদ নিতে এসেছেন। মঠের সন্ন্যাসীদের প্রতি এবং তাঁদের নিঃস্বার্থ সমাজসেবামূলক কাজের প্রতি তিনি তাঁর গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আধ্যাত্মিক এই সফর শেষ করেই মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) সরাসরি হাওড়ায় পূর্বনির্ধারিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা হন।
তৃণমূল ছাড়াই ভোটের লড়াই ফলতায়, পুনর্নির্বাচনে সকাল থেকেই লম্বা লাইন বুথে বুথে









