নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালাল বারুইপুর পুলিশ জেলা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটির হারাল বাজি বাজারে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি দোকান বন্ধ করে দিল পুলিশ। ওই দোকানগুলি থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি, বিশেষ করে চকলেট বোম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ দোকান মালিকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। কালীপুজো ও দীপাবলির আগে পুলিশের এই অভিযানে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাজি ব্যবসায়ীদের মধ্যে। (Illegal Firecrackers Raid)
পাঁচ দোকানে মিলল নিষিদ্ধ চকলেট বোমা
কালীপুজো ও দীপাবলির আগে হারাল বাজি বাজারে কেনাবেচা বাড়ে। সেই কারণে বাজারের বিভিন্ন দোকানে কী ধরনের বাজি বিক্রি হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে এই অভিযান চালানো হয়। পরিবেশবান্ধব বাজির আড়ালে নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি হচ্ছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করেন পুলিশ আধিকারিকরা। এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস, এসডিপিও, বারুইপুর থানা আইসি-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। এ দিন বাজারের বিভিন্ন দোকানে আচমকা তল্লাশি চালানো হয়। তাতেই পাঁচটি দোকানে নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির প্রমাণ মেলে। বাজেয়াপ্ত করা হয় বিপুল পরিমাণ চকলেট বোম। আপাতত ওই পাঁচটি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। (Illegal Firecrackers Raid)
ফের নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি হলে বন্ধ হবে গোটা বাজার
অভিযান শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস জানান, বারবার সতর্ক করা এবং সচেতনতা প্রচার চালানোর পরেও কিছু ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি করছেন। এতে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। অতীতেও হারালে বাজি থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও জানান, বাজি ব্যবসার সঙ্গে বহু মানুষের সারা বছরের রুজি-রুটি জড়িয়ে রয়েছে। প্রশাসন তাঁদের পাশে থাকতে চায়। তবে অবশ্যই আইনের মধ্যে থেকে ব্যবসা করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাজি বিক্রি চলতে থাকলে প্রশাসন আরও কঠোর পদক্ষেপ করবে। প্রয়োজনে গোটা হারাল বাজি বাজারই বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। (Illegal Firecrackers Raid)
পাশাপাশি বাজি ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদেরও সতর্ক করেছে পুলিশ। বাজারে নজরদারি বাড়ানো এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের স্পষ্ট বার্তা, নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির ক্ষেত্রে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না।












