পালাবদলের পর খান খান হয়ে গিয়েছে দল। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয় এবং দলে বিভাজনের পর প্রথম এই রকম ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি দেখল বাংলা। রাজপথে দুই জায়গায় শহিদ দিবস পালন হলো। আর এই নিয়েই তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না সোনারপুর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক দেবাশিস ধর (Debashis Dhar)। তিনি বলেন, “শহিদ দিবস পালনের নৈতিক অধিকার তৃণমূলের নেই। এতদিন শহিদ দিবসকে কেন্দ্র করে শুধুই নাটক করা হয়েছে।”
Debashis Dhar: ‘শহিদ পরিবার চাইলে , তদন্ত হোক’: দেবাশিস ধর
মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুরের বিপত্তারিনী মন্দিরে পুজো দিতে যান সোনারপুর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক দেবাশিস ধর (Debashis Dhar)। সেখানেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “শহিদ পরিবার যদি চান, তাহলে নতুন করে ঘটনার তদন্ত হতে পারে। এতদিন ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যই শহিদ দিবস পালন করা হয়েছে।”
বিধায়ক আরও বলেন, “গতকাল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে বোমা ফাটিয়েছেন, তারপর কোনও পক্ষই অবশিষ্ট নেই। ২১ জুলাই তৃণমূল যে জন্য করেছিল, ক্ষমতায় আসার পরে দোষিদের শাস্তি দেবে বলেছিল, সেই মূল ২১ জুলাইয়ের প্রসঙ্গই উঠে গেছে। বরং যাদের জন্য ২১ জুলাই হয়েছিল, তাঁদেরকেই ২১ জুলাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছিল। গোটা প্রসঙ্গ থেকে সরে গিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবছর এটা নিয়ে নাটক করা হতো। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, শহিদের পরিবার চাইলে আবার নতুন করে এফআইআর করতে পারবে। যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে, তার উপর ভিত্তি করে আবার তদন্ত শুরু হবে।”
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই কী হয়েছিল, তা প্রকাশ্যে আনতে কমিটি গঠন করেছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। কিন্তু ১৫ বছরেও রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসেনি। সোমবার ৩৩তম ২১ জুলাইয়ের প্রাক্কালে নিয়ম মেনে বিধানসভায় সেই রিপোর্ট পেশ করেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, “রিপোর্টে পুলিশের গুলিতে নিহতদের ২৫ লক্ষ ও আহতদের ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। অথচ মমতার তৎকালীন সরকার নিহতদের দু’লক্ষ ও আহতদের ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে।”








1 thought on “‘শহিদ দিবসের নামে নাটক চলছে’, তৃণমূলের ২১ জুলাই প্রসঙ্গে কটাক্ষ বিধায়ক দেবাশিস ধরের”