পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। আমেরিকার নজর গিয়ে পড়েছে ইরানের খার্গ আইল্যান্ডের তেলের ভান্ডার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) সংবাদ মাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে তেমনই আভাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দখলের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদপত্রে প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমরা হয়তো খার্গ দ্বীপ নেব, হয়তো নেব না। আমাদের সামনে অনেক বিকল্প আছে।”
ট্রাম্প দাবি , দ্বীপটিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খুব দুর্বল। যুক্তরাষ্ট্র সহজেই এটি দখল নিতে পারে। তবে তিনি এটাও বলেন যে, এমন পদক্ষেপের জন্য সেখানে দীর্ঘ সময় মার্কিন সেনা মোতায়েন রাখতে হবে।
অন্যদিকে, ইরান সতর্ক করে বলেছে, তাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সেনা প্রবেশ করলে তারা পাল্টা জবাব দেবে। সেই সঙ্গে অন্যান্য দেশেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এখনও পর্যন্ত হরমুজ় প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণের জন্য সব দেশকে অনুমতি দেয়নি। ভারত-সহ ৫ বন্ধু দেশকে ওই প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণের জন্য অনুমতি দিয়েছে।ট্রাম্পের (Donald Trump) হুঁশিয়ারি, সব দেশকে অনুমতি না দেওয়া হলে তৈলভান্ডারেও হামলা চালানো হবে।
ইরানের প্রধান তেল রফতানি ক্ষেত্র খার্গ দ্বীপ গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। পারস্য উপসাগরে অবস্থিত দ্বীপটি হরমুজ প্রণালীর কাছে। এই অঞ্চল দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।
যদিও ট্রাম্পে দাবি, ইরান সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের কালিবাফ নাকি তেলবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন। যাকিনা যুদ্ধপরিস্থিতি আলোচনার একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জার্তিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে যুদ্ধের হুমকি, অন্যদিকে আলোচনার ইঙ্গিত—এই পরিস্থিতি নতুন করে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত খার্গ দ্বীপ দখলের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি।












