---Advertisement---
lifezone nursing home

Hormuz : ওটা ‘ট্রাম্প প্রণালী’, হরমুজের নাম বদল করতে চাইছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প?

March 29, 2026 2:21 PM
Hormuz
---Advertisement---

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সীমাহীন দাদাগিরি বেড়েই চলেছে। ইরান যুদ্ধে আমেরিকার প্রধান মাথাব্যাথা হরমুজ (Strait of Hormuz)। বিশ্বের তৈল ধমনী হিসেবে পরিচিত এই জলপথ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ করে রেখেছে ইরান। ইরানের সঙ্গে শান্তি প্রস্তাবে বসার আগেই একের পর এক শর্ত চপিয়ে যাচ্ছে। এবার হরমুজকে(Hormuz) বললেন – ওটা ‘ট্রাম্প প্রণালী’। পারস্য উপসাগরের তালা খুলতে নাজেহাল অবস্থা আমেরিকার। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এবার হরমুজের নাম বদলে ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভরা সভায় ‘স্ট্রেইট অফ হরমুজের’ নাম ‘স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প’ বলে উল্লেখ করলেন তিনি। তাঁর মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি হরমুজের নাম বদলে নিজের নামে রাখতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? ইরানের সঙ্গে প্রায় একমাস ধরে চলমান যুদ্ধের পর সংঘর্ষ বিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ দিন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি আনতে ১৫ দফা শর্ত দিয়ে আলোচনারও বার্তা দিয়েছেন তিনি। তবে আমেরিকার সেই সব শর্ত পত্রপাঠ খারিজ করেছে ইরান।

এই ডামাডোলের মাঝেই সম্প্রতি ফ্লোরিডার মায়ামিতে এক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে এই ইস্যুতে মুখ খোলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বক্তব্য রাখার সময় কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীকে ‘স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এরপরই তা সংশোধন করে রসিকতার ছলে বলেন, “ও হো, ওটা তো হরমুজ। বড় মারাত্মক ভুল হয়ে গিয়েছে।” তবে ট্রাম্পের এই ‘নিছক ভুল’-কে মোটেই ভুল হিসেবে দেখছে না ওয়াকিবহাল মহল। তাদের দাবি, এই ভুলের মাধ্যমে ট্রাম্প আসলে কৌশলী বার্তা দিয়েছে ইরানকে। সেই বার্তা হলো, ইরানের হাত থেকে হরমুজকে পুরোপুরি মুক্ত করা। এবং সেখানে মার্কিন আধিপত্য বিস্তার।

গত ২৮ ফেরুয়ারি ইরানে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর আগ্রাসন শুরু হওয়ার কয়েকদিন পরই হরমুজ (Hormuz) প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরানের সামরিক বাহিনী। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ করা মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবহন হয়। সংঘাতের আগে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ছিল। ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে প্রাণালীটি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্যে এক ঐতিহাসিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। তেহরান বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইজরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়-এমন জাহাজের জন্য প্রণালী খোলা আছে। তবে তেহরান এই জলপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার কথা বলছে। সেই সঙ্গে ইরান সতর্ক করে বলেছে, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজগুলোর হামলা চালানো হবে।


Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment