পশ্চিম এশিয়ার (Iran War) যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন, সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্য কী কথোপকথন হয়েছে সেকথা নিজেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আমেরিকা, ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান নিশানা করছে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মার্কিন এবং ইজরায়েলি ঘাঁটি। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, ইরাক-সহ পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জ্বালানি পরিকাঠামো বাদ পড়ছে না ইরানি হামলা থেকে। মোদী জানিয়েছেন, সলমনের সঙ্গে কথা বলার সময় এই সব হামলার নিন্দা করেছেন তিনি।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে রেখেছে ইরান। হরমুজ অবরুদ্ধ হওয়ায় বিশ্বের নানা প্রান্তে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এক্স হ্যান্ডলের একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (Iran War) লেখেন, ‘আমরা দু’জনেই নৌপরিবহণের পথগুলি চালু রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘সৌদিতে বসবাসরত ভারতীয়দের জন্য সে দেশের সরকার সাহায্য করছে।’ এ জন্য সৌদির প্রধানমন্ত্রী তথা যুবরাজকে ধন্যবাদজ্ঞাপন করেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী।
দিন কয়েক আগেই একটি রিপোর্টে উঠে আসে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল তথা সিডিএফ আসিম মুনিরের সৌদি আরবে সফরের কথা। তখনও পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ চলছে। তখন সৌদির বুকে আমেরিকার পর পর ঘাঁটি ওড়াতে ব্যস্ত ইরান। এদিকে, প্রতিরক্ষায় সৌদির সঙ্গে পাকিস্তানের এক বড়সড় চুক্তি রয়েছে। সেই জায়গা থেকে যুদ্ধের মাঝেই সৌদি ছুটে গিয়েছিলেন মুনির। দেখা করেছিলেন সেদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে। এছাড়াও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও মুনিরকে সঙ্গে নিয়ে সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে দেখা করেন। এবার সেই আবহ কাটতে না কাটতেই সৌদি আরবে ফোন গেল দিল্লি থেকে।
এই যুদ্ধের ফলে ওই অঞ্চলে কর্মরত কয়েক লক্ষ ভারতীয় নাগরিকের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হরমুজ প্রণালীতে তেহরানের অবরোধ ঘিরে তেল এবং গ্যাস পরিবহণ ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে জানান তিনি।












