বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। জাপানে ভূমিকম্পে ইতিমধ্যেই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পন মাত্রা ছিল ৭.১। বেশ কয়েকজনের গুরুতরভাবে আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের তল্লাশিতে চলছে উদ্ধারকাজ (Japan Earthquake)।
Japan Earthquake: কী বললেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী?
জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি ব্যক্তিগতভাবে ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “সরকার যত বেশি সম্ভব মানুষকে সরিয়ে নিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।” তিনি তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান (Japan Earthquake)।
কিউশু দ্বীপের কুমামতো অঞ্চল এই ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাশিমা শহরের একটি বড় শপিং মলের দ্বিতীয় তলা ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষের আটকে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইয়াতসুশিরোর নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানার একটি চিমনিও এই ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ে বেশ কয়েকজন চাপা পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সব জায়গাতেই উদ্ধারকারী দল উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ইয়াতসুশিরো শহরের একটি হাসপাতালে প্রায় ৪০ জন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও ৫০ জনকে কুমামতো শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
একটি অগ্নি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে যে, ২ লক্ষ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ৷ এদের মধ্যে অধিকাংশই কুমামোতো ও নাগাসাকির বাসিন্দা ৷ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি দেশের রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে জল, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়াদের উদ্ধারে স্থানীয় উদ্ধারকারী দল ও সেনাবাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে।












