পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে জ্বালানির আঁচে পুড়ছে গোটা বিশ্ব। আর এরই মধ্যে জ্বালানির সংকট কমাতে পাকিস্তানে স্মার্ট লকডাউনের ঘোষণা করল সে দেশের সরকার। পাকিস্তানে (Pakistan Lockdown) শনিবার মধ্যরাত থেকে রবিবার রাত পর্যন্ত স্মার্ট লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার, ৪ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে রবিবার রাত ১১ টা ৫৯ পর্যন্ত স্মার্ট লকডাউন চলবে বলে জানিয়েছে সরকার। লকডাউন ঘোষণার জেরে পাকিস্তানে বন্ধ থাকবে বাজার, ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান, অফিস, দোকান। স্মার্ট লকডাউন ঘোষণায় বিয়ে থেকে শুরু করে কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না।
এবিপি নিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান সরকার আলোচনার পর যে কোনও সময়ে চূড়ান্ত লকডাউনের ঘোষণা করতে পারে। ইতিমধ্যে ফেডারেল সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সংগতি রেখে সিন্ধু প্রদেশ বেশ কিছু জরুরি ব্যবস্থা কার্যকর করেছে। ১৬ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দিন কয়েক আগে পাকিস্তানের এক মন্ত্রী নাসির শাহ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “যুদ্ধের ফলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপণ্যের বাজারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জনগণকে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত পরিহার করে পেট্রোল ও গ্যাস সাশ্রয় করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্মার্ট লকডাউনের চূড়ান্ত রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে”। আর তার এই কথাই সঠিক হলো।
২৭ মার্চ পাকিস্তানে (Pakistan Lockdown) বেহাল দশা, ভারতে স্থিতাবস্থা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলেও এই বিষয়ে পোস্ট করেন ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। যেখানে তিনি জানান, “পাকিস্তানে জ্বালানি সঙ্কটের জেরে উচ্চ মানের জ্বালানির ওপর ২০০ শতাংশ কর ধার্য করা হয়েছে। রাতারাতি ২০ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে পেট্রোল-ডিজেলের। পাকিস্তানে এখন লিটার পিছু পেট্রেলারে দাম হয়েছে ৩২১ PKR (পাকিস্তানি মুদ্রা)। জ্বালানি সাশ্রয় করার জন্য সিন্ধ প্রদেশে ‘স্মার্ট লকডাউন’ ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণা পর এখানে জনসভা, সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে”।












