ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে এখনই অভিযান গুটিয়ে আনার কথা ভাবছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সমাজ মাধ্যমে ট্রাম্প (Trump) জানিয়েছেন, অভিযানের অনেক ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে। দুর্বল হয়েছে ইরান। তবে সামরিক অভিযান অনেকটাই কমিয়ে আনা হবে।
ওই পোস্ট ট্রাম্প (Trump) আরও জানিয়েছেন, আমরা খুব শীগ্রই নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছে যাবো। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা নির্মূল করে সে দেশের জঙ্গি সংগঠনের ভিতকে ধ্বংস করা সহ ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং অস্ত্রশস্ত্র ধ্বংস করা মূল লক্ষ্য। ইরান যাতে পারমাণবিক কার্যকলাপের ধারে কাছেও ঘেঁষতে না পারে, তারই ব্যবস্থা করতে চাইছেন তিনি। সে ক্ষেত্রে তাঁর লক্ষ্যের অনেক কাছে চলে এসেছেন। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ায় থাকা তাদের ‘বন্ধু’দেশগুলিকে রক্ষা করাই ছিল সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মজতবা খামেনেই পারস্য নববর্ষ ‘নওরুজ’ উপলক্ষে এক বার্তায় জানিয়েছেন, তিন সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে ইরান পাল্টা হামলা করে তাদের শত্রুদের যথেষ্ট বড় ধরনের ক্ষতি করেছে। তিনি বলেন, “দেশের মানুষের ঐক্যের কারণে শত্রু পরাজিত হয়েছে। ধর্ম, সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক পার্থক্য থাকলেও সবাই একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে।” মূলত তিনি বলতে চাচ্ছেন, দেশের মানুষ এক হয়ে যুদ্ধ মোকাবিলা করেছে।
শুক্রবার তেহরানে আবারও বিস্ফোরণ ঘটে। একই দিনে ইসরায়েল অভিযোগ করেছে, ইরান জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোতে হামলা চালিয়েছে। আল-আকসা মসজিদ, ওয়েস্টার্ন ওয়াল এবং হলি সেপালচারের চার্চের কাছে যুদ্ধের কারণে ঘটা বেশ কিছু বড় ধরনের ক্ষতি দেখা দিয়েছে। এই ঘটনা পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ কী হবে, তা আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।











