ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

High Speed Crash: স্পোর্টস বাইকের তান্ডব, তেলঙ্গানায় মৃত ৫

High Speed Crash
---Advertisement---

তেলঙ্গানায় দামি স্পোর্টস বাইক নিয়ে রেসিংয়ে নেমেছিলেন দুই যুবক। শুরুর দিকে সব ঠিকঠাক থাকলেও, হঠাৎই বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটি সরাসরি গিয়ে ধাক্কা মারে রাস্তায় থাকা একটি গাড়িতে। ঘটনায় দুই বাইক আরোহী-সহ মৃত্যু হয়েছে গাড়িতে সওয়ার করা তিন যাত্রীর। ঘটনাটি ঘটে রবিবার রাতে তেলঙ্গানার মেহবুবনগরের পালাকোন্ডা বাইপাস এলাকায় (High Speed Crash)। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।

সূত্রের খবর, গাড়ির গতিবেগ এতটাই দ্রুত ছিল, যার কারণে সংঘর্ষের তীব্রতাও বেড়েছে। ফলে ঘটনাস্থলেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ওই গাড়িতে থাকা তিন যাত্রীর। দুর্ঘটনায় মারা যান, আরশিয়া বেগম, উজেপা এবং ২ বছর বয়সের এক শিশু। দুর্ঘটনার পর এই তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসক।

স্পোর্টস বাইকটির গতিবেগ ছিল অন্তত ১৪০ কিমি। একটি গাড়িতে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। ঘটনায় মৃত্যু হয় স্পোর্টস বাইকের চালক ইয়াকুব আফজলেরও। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে বাইপাসটি একটি বিপজ্জনক রেসিং ট্র্যাকে পরিণত হয়েছে, যেখানে কিছু তরুণ নিয়মিত ভাবে স্পোর্টস বাইকে স্টান্ট দেখায় এবং দ্রুতগতিতে গাড়ি চালায়। তাদের অভিযোগ, বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, “প্রতি রাতে এই যুবকরা স্পোর্টস বাইক নিয়ে বাইপাসে রেস করে। তারা বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালায় এবং নিরীহ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে। আমরা বহুবার অভিযোগ করেছি, কিন্তু কেউ শোনেনি,”

ভবিষ্যতে আর যাতে এই রকম ঘটনা না ঘটে, তার আগে এই অবৈধ বাইক রেসিং বন্ধ করতে তারা অবিলম্বে পুলিশের পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এছাড়াও রাতের শহরে নিরাপত্তা বাড়াতে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা পুলিশের কাছে রাতের টহল বাড়ানো ও বিভিন্ন জায়গায় নতুন সিসিটিভি বসানোর আর্জি জানিয়েছেন। পাশাপাশি এই ধরনের রেসিং-এর ক্ষেত্রে বিশেষ পুলিশি অভিযান চালানোর দাবিও জানিয়েছেন তারা।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now