গেরুয়া থেকে সাদা। সাদা থেকে ফের গেরুয়া। বদলের রাজনীতি ছুঁয়েছে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের (Academy of Fine Arts) দেওয়ালে। গতকাল বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের উপস্থিতিতে ফের গেরুয়া রঙের প্রলেপ পড়েছে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের টিকিট কাউন্টারের দেওয়ালে। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুললেন শিবপুরের বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। অ্যাকাডেমি চত্বরতে রাজনীতিকরণ নিয়ে দুষলেন বামেদেরকে (Academy of Fine Arts)।
Academy of Fine Arts: “বামেরা মিথ্যাচার করছে”
বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ হাতে একটি ছবি দেখিয়ে বলেন, “পুরানো ছবি দেখুন। গেরুয়া রঙ আর ডিপ চকলেট বিট দেওয়া ছিল। পবিত্র জায়গা দীর্ঘদিন সংষ্কার করা হয়নি। না গুরুত্বপূর্ণ মিউজিয়াম, না লাইব্রেরি, কিছু হয়নি। এসি, শৌচালয়, আসন সব নষ্ট হয়েছিল। এর মাঝে CITU পতাকা লাগানো থাকত। অ্যাকাডেমির স্টাফেরা রং লাগান আর ভারতমাতার ছবি দেন। এটা তো পাকিস্তান নয়। এরপরে নেমে পড়েন প্রচলিত বাম পন্থীরা। বিকাশ বাবুরা যান, প্রমাণ করেন ওটা সিপিএমের অ্যাজেন্ডা। রাজনৈতিক দখলদারির পরিকল্পনা করছে ওরা। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এরা মিথ্যাচার করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “গেরুয়া ত্যাগের প্রতীক। গেরুয়া দেখলেই এদের আপত্তি হয়। বন্দেমাতরম বলতে গেলে গলা শুকিয়ে যায় আপনাদের। পোড়ামাটির উপর গেরুয়া রঙ ছিল। যদিও অ্যাকাডেমি সংষ্কার করেননি। আপনাদের মিথ্যাচার সামনে চলে এসেছে। গতকাল অ্যাকাডেমির স্টাফেরা ছিল। আর আমি গতকাল শিল্পী রুদ্রনীল ঘোষ হিসাবে গিয়েছি। যা হয়েছে সুস্থতার জন্যে হয়েছে। শিল্প সংস্কৃতি সব বামেদের নাকি? অন্যরা কেউ বোঝে না নাকি? চারটে রুম দখল করে রেখেছে CITU।”
“রাজনৈতিক ঝান্ডা মুক্ত হোক”
অ্যাকাডেমি রাজনৈতিক ঝান্ডা মুক্ত হোক বললেন বিধায়ক (Academy of Fine Arts)। তিনি বলেন, “দল মত ভুলে যান। অ্যাকাডেমি আমাদের কাছে মন্দির। এই সব জায়গা রাজনৈতিক ঝান্ডা মুক্ত হোক। বামেরা ওই জায়গা রাখবে বলেই মিথ্যাচার করছে বামেরা। সাংস্কৃতিক মালিকানা খালি বামপন্থীদের নয়। অ্যাকাডেমিতে রাজনৈতিক দখলদারি থাকবে না। বিকাশ বাবুর শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য যেন বজায় থাকে। উনি কোন দলে থিয়েটার চর্চা করেন সেটা জানলে গিয়ে দেখা করব ওনার সঙ্গে।”









1 thought on ““অ্যাকাডেমি রাজনৈতিক ঝান্ডা মুক্ত হোক”, রং বদল নিয়ে মত রুদ্রনীলের”