(FSSAI warning labels) প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকলে সামনে স্পষ্ট সতর্কবার্তা থাকবে কি না, তা নিয়ে ফের সরব সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার FSSAI-এর ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত প্রশ্ন করে, খাদ্যশিল্পের কর্পোরেট চাপের কাছে কি রেগুলেটর নতি স্বীকার করছে?
দুই সপ্তাহের ‘শেষ সুযোগ’
বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ জানায়, আগের নির্দেশ শুধুমাত্র পরামর্শ ছিল না। FSSAI-কে ফের বিষয়টি বিবেচনা করে দুই সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছে। আদালত সতর্ক করেছে, পরের শুনানিতে প্রয়োজনে সরাসরি নির্দেশ দেওয়া হবে। (FSSAI warning labels)
The Supreme Court has sharply questioned the Centre over its reluctance to introduce front-of-pack warning labels on packaged foods high in sugar, salt and saturated fat.
— Dr.Sivaranjini (@dr_sivaranjani) August 13, 2026
The Bench of Justices JB Pardiwala and K Vinod Chandran even warned the government about corporate pressure,… pic.twitter.com/2rMJRTZUbV
শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ
আদালতের প্রশ্ন, সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে বাড়ন্ত শিশুরা কী খাচ্ছে তা কি সহজে বুঝতে পারছে? বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, কতজন শিশু শুকনো ফল কিনতে পারে, আর কতজন সহজলভ্য কুরকুরে-জাতীয় স্ন্যাকস কেনে—এই পার্থক্যই সমস্যার মূল। আদালত স্পষ্ট করেছে, কোনও নির্দিষ্ট পণ্য বন্ধ করা নয়, ক্রেতাকে কেনার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়াই উদ্দেশ্য। (FSSAI warning labels)
FSSAI-এর প্রস্তাব বনাম সতর্কবার্তা
FSSAI সরাসরি ‘High Sugar’, ‘High Sodium’ বা ‘High Saturated Fat’ লেখার বদলে চিনি, নুন ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের দৈনিক সুপারিশকৃত সীমা পিকটোরিয়াল ফরম্যাটে দেখানোর প্রস্তাব দিয়েছে। (FSSAI warning labels) ২০২৪-এর ICMR-NIN নির্দেশিকা অনুযায়ী সীমা—চিনি ২৫ গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ১০ গ্রাম এবং নুন ৫ গ্রাম। ১৯ মার্চের stakeholder consultation-এ অধিকাংশ শিল্প সংগঠন সতর্কীকরণ লেবেলের বিরোধিতা করে।
FSSAI warning labels: ‘সংখ্যা দেখে হিসাব করবে ক্রেতা?’
আবেদনকারীর আইনজীবী রাজীব শঙ্কর দ্বিবেদীর যুক্তি, শুধু সংখ্যাগত তথ্য দিলে ক্রেতাকেই হিসাব করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কম স্বাস্থ্য শিক্ষা-র ক্ষেত্রে রঙিন সতর্কবার্তা অনেক বেশি কার্যকর। FSSAI-এর কমিটি ১৪ হাজারেরও বেশি মতামত পেয়েও ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি।
‘ভারত কি অনুন্নতই থাকবে?’
কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার যুক্তি দেন, আন্তর্জাতিক মান সরাসরি ভারতীয় খাবারে প্রয়োগ করা যায় না। নোনতা-ঝাল ঐতিহ্যবাহী খাবারেও লাল সতর্কচিহ্ন আসতে পারে এবং MSME-র ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আদালত পাল্টা প্রশ্ন করে, “ভারত কি একটি অনুন্নত দেশ হয়ে থাকবে?”
মামলার পুরনো প্রেক্ষাপট
২০২৫ সালের এপ্রিলে আদালত FSSAI-এর বিশেষজ্ঞ কমিটিকে সুপারিশ চূড়ান্ত করতে বলেছিল। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ অগ্রগতিতে অসন্তোষ জানিয়ে আদালত ফের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেয়। এবার স্পষ্ট বার্তা—স্বাস্থ্য, বিশেষত শিশুদের স্বাস্থ্য, ব্যবসায়িক স্বার্থের ঊর্ধ্বে।
ক্যাব পেতে আর আগাম টিপ নয়, Uber-Ola-কে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের










2 thoughts on “অতিরিক্ত চিনি, নুন থাকলে আলাদা বার্তা নয় কেন? FSSAI-কে কড়া ধমক সুপ্রিম কোর্টের”