খেলার মাঠে সাফল্যের পিছনে যেমন প্রয়োজন প্রতিভাবান অ্যাথলিট, তেমনই প্রয়োজন দক্ষ পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও পেশাদার নেতৃত্ব। (Sports Management Course) সেই লক্ষ্যেই কলকাতায় শুরু হলো আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার নতুন উদ্যোগ। শুক্রবার রয়্যাল ক্যালকাটা গল্ফ ক্লাবে জর্জ কলেজের স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং প্রোটাচ স্পোর্টস-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হলো ‘Beyond the Field: Navigating the New Era of Sports Management’ শীর্ষক সেমিনার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন IFA সচিব অনির্বাণ দত্ত, প্রাক্তন CAB সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া, টেনিস কিংবদন্তি তথা বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লিয়েন্ডার পেজ, প্রাক্তন টেনিস খেলোয়াড় জয়দীপ মুখোপাধ্যায়-সহ বিশিষ্টরা।
Sports Management Course: স্কটল্যান্ডের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংযোগ

২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত জর্জ কলেজ কলকাতা স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ শুরু করেছিল। এবার Qualifications Scotland-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মানের আন্তর্জাতিক কোর্ট ম্যানেজমেন্ট ডিপ্লোমা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। Qualifications Scotland-এর প্রতিনিধি মার্ক হিল এই যোগসূত্রকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, স্পোর্টস মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে পারে এবং এই উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষতা, নেতৃত্ব, সুযোগ ও উন্নত মানের স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট তৈরি করা সম্ভব।
জামশেদপুরের লাইসেন্সে ISL-এ ফিরছে চার্চিল, পেশাদার ফুটবলে টাটাদের অধ্যায়ের সমাপ্তি
‘চ্যাম্পিয়ন অফ লাইফ’ হওয়ার সুযোগ

(Sports Management Course) উদ্যোগটির প্রশংসা করেন লিয়েন্ডার পেজ। স্কটল্যান্ডকে গল্ফের ‘মক্কা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু ক্রিকেট নয়, প্রতিটি খেলাতেই ম্যানেজমেন্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাদার অ্যাথলিটদের পাশাপাশি চোট বা অন্য কারণে খেলোয়াড়জীবন থেমে যাওয়া তরুণ-তরুণীদেরও স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট নতুন আন্তর্জাতিক সুযোগ দিতে পারে। তাঁর কথায়, এটি তাঁদের ‘champion of life’ হওয়ার পথ দেখাতে পারে। কলকাতায় এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও স্কটিশ সংস্থাকে ধন্যবাদ জানান।
Sports Management Course: যোগ্য পেশাদারের প্রয়োজন

প্রোটাচ স্পোর্টসের ডিরেক্টর ইন্দ্রজিৎ ভালোটিয়া জানান, বর্তমানে ভারতে পাঁচ লক্ষেরও বেশি স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনাল থাকলেও তাঁদের মধ্যে মাত্র প্রায় এক শতাংশ যোগ্য ও সার্টিফায়েড। কমনওয়েলথ গেমসের মতো বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনের আগে প্রশিক্ষিত পেশাদার তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। তাঁর মতে, মাঠে খেলা হলেও তার বাইরে পুরো স্পোর্টস ইকোসিস্টেম পরিচালিত হয়। নিয়ম-কানুন জানা যথেষ্ট নয়, সেগুলি কীভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
৫০ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? হকি বিশ্বকাপে কবে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান?
ক্রীড়া শিক্ষায় নতুন দিশার বার্তা
BTA সভাপতি হিসেবে লিয়েন্ডার পেজ জানান, তাঁর লক্ষ্য টেনিসে স্পোর্টস সায়েন্স, স্পোর্টস মেডিসিন, টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ এবং মানসিক ও শারীরিক ফিটনেসের মান আরও উন্নত করা। দেশ জুড়ে প্রতিভা খোঁজার উপরও জোর দেন তিনি। IFA চেয়ারম্যান ও জর্জের ডিরেক্টর সুব্রত দত্ত বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারের সহযোগিতায় বাংলায় ফুটবল সংস্কৃতি আরও বিকশিত হতে পারে। এই ক্ষেত্রে তিনি তার নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। (Sports Management Course)

অভিষেক ডালমিয়ার মতে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পাশাপাশি যথাযথ ইন্টার্নশিপ ও প্লেসমেন্টের সুযোগ তৈরি হলে এই ক্ষেত্রের কর্মসংস্থান আরও বাড়বে। ক্রিকেটের বাইরেও বিভিন্ন খেলায় পেশাদারদের চাহিদা বাড়ছে এবং স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘transition period’-এর মধ্যে রয়েছে। (Sports Management Course)
যুবসমাজ ও বাংলার ক্রীড়া ভবিষ্যৎ

লিয়েন্ডার পেজ স্পোর্টসে ‘খেলো ইন্ডিয়া’র মাধ্যমে কেন্দ্রীয় উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে যুবসমাজ ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থানের পথ খুঁজে পাবে। বাংলায় দীর্ঘদিনের পিছিয়ে পড়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, রাজ্যে এখন সঠিক দিশায় এগোনোর প্রয়োজন। ব্রাজিল-ভারত ম্যাচ, মেসির কলকাতা সফরের বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে আরও সুসংবদ্ধ প্রক্রিয়া, টেকনিক্যাল ট্রেনিং ও স্পোর্টস সায়েন্সের উপর জোর দেন তিনি। আগামী দশকে আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলিট তৈরির লক্ষ্যও সামনে রাখেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের উত্তরীয়, স্মারক ও প্রতীকী ছোট গাছ দিয়ে বরণ করা হয়। বর্ষীয়ান সাংবাদিক অভীক সরকারকেও উত্তরীয় ও স্মারক দিয়ে সম্মানিত করা হয়। পুরো উদ্যোগকে ক্রীড়া শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
নীরজ-গোপীচাঁদের উদ্যোগ, চালু ‘ইন্ডিয়ান স্কুল অব কোচিং এক্সেলেন্স’












I’ve been surfing online more than three hours these days, yet I by no means discovered any interesting article like yours. It is pretty price sufficient for me. In my view, if all webmasters and bloggers made just right content as you did, the web will probably be a lot more helpful than ever before. “Nothing will come of nothing.” by William Shakespeare.