আন্তর্জাতিক মঞ্চে একের পর এক সাফল্য অর্জন করছেন ভারতের ক্রীড়াবিদেরা। তবে ক্রীড়াবিদদের সাফল্যের নেপথ্যে কোচদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই কোচদের দক্ষতা বাড়াতে এবং আধুনিক ক্রীড়া বিজ্ঞানের সঙ্গে পরিচিত করাতে বিশেষ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ভাবনা নীরজ চোপড়া ও পুল্লেলা গোপীচাঁদের।
বলা যেতে পারে ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা। অলিম্পিক ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জ্যাভলিন তারকা নীরজ চোপড়ার ফাউন্ডেশন, ব্যাডমিন্টন কিংবদন্তি পুল্লেলা গোপীচাঁদ এবং এআইএসটিএস ইন্ডিয়া যৌথভাবে চালু করল ‘ইন্ডিয়ান স্কুল অব কোচিং এক্সেলেন্স’ (ISCE)। দেশের কোচদের আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। (Indian School of Coaching Excellence)
ISCE-র প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
ISCE-র প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে খেলাধুলার কৌশলের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্পোর্টস সায়েন্স, প্রযুক্তির ব্যবহার, ক্রীড়া শিক্ষা এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নের মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ক্রীড়া সংস্থা, স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (সাই), বিভিন্ন ফেডারেশন, হাই-পারফরম্যান্স সেন্টার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে সংস্থা।
পুল্লেলা গোপীচাঁদ যা বলছেন
পুল্লেলা গোপীচাঁদ বলেছেন, “ভারতীয় খেলাধূলার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে শক্তিশালী ক্রীড়া পরিকাঠামোর উপর। কোচরাই সেই ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। ISCE কোচদের নিয়মিত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান অর্জনের সুযোগ করে দেবে।”
ডুরান্ডে ফের কি দেখা যাবে ডার্বি? শেষ আটে ময়দানের দুই প্রধান
গোপীচাঁদের সুরে নীরজ চোপড়া
পুল্লেলা গোপীচাঁদের সঙ্গে সহমত নীরজ চোপড়াও। তিনি বলেছেন, “প্রতিটি সফল ক্রীড়াবিদের পিছনে একজন দক্ষ কোচ থাকেন। আগামী দিনের চ্যাম্পিয়ন তৈরির জন্য কোচদের বিশ্বমানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ পাওয়া জরুরি। এই উদ্যোগ সেই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”
২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের দৌড়ে থাকা ভারতের জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদী আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের সাফল্য ধরে রাখতে দক্ষ কোচ তৈরির উপরই জোর দিচ্ছে আইএসসিই। ক্রীড়া মহলের আশা, এই উদ্যোগ ভারতীয় খেলাধুলার ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করবে। (Indian School of Coaching Excellence)











