রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

কলকাতার আগুনে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, শেয়ার করলেন অভিজ্ঞতা

Published on: August 19, 2026
---Advertisement---

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক। এই ঘটনাতেই অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন বাংলাদেশি ডিজাইনার ও উদ্যোক্তা অনিক কুণ্ডু এবং তাঁর পরিবার। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? নিজেই জানালেন সে কথা। (New Market Fire)

মাঝরাতে আগুন, আতঙ্কে ঘুম ভাঙে

প্রথম আলো-কে দেওয়া তথ্য ও নিজের ফেসবুক পোস্টে অনিক কুণ্ডু জানিয়েছেন, মঙ্গলবার গভীর রাত প্রায় ২টো নাগাদ হোটেলের দ্বিতীয় তলার লবিতে আগুন লাগে। সেই সময় তিনি বাবা-মাকে নিয়ে তৃতীয় তলায় ছিলেন। পাশের ঘরেও একটি বাংলাদেশি দম্পতি ও তাদের সন্তান ছিলেন।

আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো ভবন। সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামা বা ছাদে ওঠা—কোনও পথই খোলা ছিল না। চারদিকে শুধু ঘন কালো ধোঁয়া। (New Market Fire)

ভেন্টিলেটর খুলেই সাহায্যের আবেদন

অনিক জানান, শ্বাস নিতে ক্রমশ কষ্ট হচ্ছিল। সেই অবস্থায় তাঁরা বাথরুমের ভেন্টিলেটর খুলে বাইরে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে দমকলে ফোন করে জানান যে তাঁরা ভবনের উপরের তলায় আটকে রয়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধার প্রয়োজন। (New Market Fire)

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, জীবনে প্রথমবার এত কাছ থেকে মৃত্যুকে দেখেছেন। কয়েক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, হয়তো আর বেঁচে ফেরা সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশিদের খোঁজ নেওয়ার আবেদন

ঘটনার পর অনিক সকলের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, যাঁদের আত্মীয় বা পরিচিত কেউ চিকিৎসা বা ভ্রমণের জন্য কলকাতায় এসেছেন, বিশেষ করে নিউমার্কেট সংলগ্ন এলাকায় রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত খোঁজ নিতে। (New Market Fire)

তিনি উল্লেখ করেছেন, মির্জা গালিব স্ট্রিট ও আশপাশের এলাকায় বহু বাংলাদেশি পর্যটক ও রোগীর পরিবার নিয়মিত থাকেন। ফলে এই দুর্ঘটনায় বহু পরিবার উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, কলকাতার এই অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলাদেশি মহলেও। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। (New Market Fire)

আরও পড়ুন :- “কেউ জানালা ভাঙছে, কেউ দোতলা থেকে ঝুলছে”, আগুন লাগার ঘটনা শেয়ার করলেন স্থানীয়দের


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

2 thoughts on “কলকাতার আগুনে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, শেয়ার করলেন অভিজ্ঞতা”

Leave a Comment