দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল তার বাবার বিরুদ্ধে। (Baruipur Pocso Case) একই পরিবারের দুই মেয়ের সঙ্গেই অভিযুক্ত শারীরিক নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর মহিলা থানার পুলিশ। ধৃত পেশায় ফেরিওয়ালা। বাসন বিক্রি করেন বলে জানা গিয়েছে।
Baruipur Pocso Case: বড় মেয়ের অভিযোগের পর বাড়ি ছাড়ার দাবি
১৭ বছরের দিদির দাবি, গত ডিসেম্বর নাগাদ তাঁর সঙ্গে প্রথম অশালীন আচরণ করেন বাবা। বিষয়টি সবাইকে জানানোর পরও ব্যবস্থা না হওয়ায় তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে দাবি। তাঁর অভিযোগ, “আমার বোনের সঙ্গে অনেক কিছু হয়েছে।” নিজের সঙ্গেও বাবার অশালীন আচরণের অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বোনের সঙ্গে ফেব্রুয়ারি থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
পরিবারটি মূলত উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর-মগরাহাট এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
Baruipur Pocso Case: ছোট মেয়েকেও নির্যাতনের অভিযোগ
বড় মেয়ে বাড়ি ছাড়ার পর ১৩ বছরের ছোট মেয়ের উপরও একই ধরনের নির্যাতন শুরু হয় বলে অভিযোগ। কয়েক মাস ধরে একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি নাবালিকার। ফোনে সে বিষয়টি দিদিকে জানায়। ১৩ বছরের নাবালিকার অভিযোগ, রাতে ঘুমিয়ে থাকার সময় বাবা তাঁর পাশে এসে অশালীন আচরণ করতেন এবং একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করেন। চারবার এমন ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তাঁর। বিষয়টি মাকে জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁর কথায়, “বাবা শাস্তি পাক।”
১০০ নম্বরে ফোন, গ্রেফতার বাবা
এরপর বড় মেয়ে ১০০ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে অভিযোগ জানান। খবর পেয়ে বারুইপুর মহিলা থানার পুলিশ কুলপি রোড এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। (Baruipur Pocso Case) ঘটনায় পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আজ অভিযুক্তকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে।
বারুইপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নেপথ্যে বড়সড় চক্রান্ত?












