ফের শিরোনামে বাংলাদেশ। এবার এক হিন্দু সাংবাদিকের রহস্যমৃত্যু। সাংবাদিক পুলক চট্টোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হলো বরিশালে দৈনিক ‘সমকাল’-এর অফিসে। দীর্ঘিদিন ধরে তিনি এই সংবাদমাধ্যমে কাজ করতেন। ২০২৩ সালে তিনি দৈনিক ‘সমকাল’-এ বরিশাল ব্যুরোর দায়িত্বে ছিলেন। তারপর তিনি অবসর নেন কিন্তু মাঝে মধ্যেই তিনি এই অফিসে আসতেন। সেই অফিস থেকেই মিলল তাঁর দেহ (journalist pulak chattopadhyay dies)।
journalist pulak chattopadhyay dies: ‘আত্মহত্যা’ নাকি ‘খুন’?
এই ঘটনার পর বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত এক পুলিশ আধিকারিক আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” তবে ঘটনাস্থল থেকে দু’টি ‘সুইসাইড নোট’উদ্ধার করেছে পুলিশ। তা দেখে প্রাথমিকভাবেই আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে করছেন পুলিশ আধিকারিকরা (journalist pulak chattopadhyay dies)।
বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশালে দৈনিক সমকালের অফিসে, দোতলায় সাংবাদিক পুলক চট্টোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরই সহকর্মীরা। এরপর তাঁরাই স্থানীয় কোতোয়ালি থানায় খবর দেন। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
বাংলাদেশের দৈনিক ‘ঢাকা ট্রিবিউন’ জানিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে দৈনিক ‘সমকাল’পত্রিকা থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন তিনি। বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এর আগে দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের দৈনিক ‘যুগান্তর’-এ কাজ করেছেন। পরিবারে স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রয়েছেন।
জানা গিয়েছে, অবসরের পরও এই সংবাদমাধ্যমের দফতরে আসতেন পুলক চট্টোপাধ্যায়। দফতরের একটি চাবিও তাঁর কাছেই থাকত। সূত্রের খবর টাকা পাওনার হিসাব নিয়ে পত্রিকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুলকের কিছু কথা কাটাকাটি হয়েছিল বলে খবর। সুইসাইড নোট দু’টিতে পরিবার এবং সুমনের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন পুলক।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের অভিযোগ, দৈনিক ‘সমকাল’ পত্রিকার অফিসে সাংবাদিকের মৃত্যু, অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। ঘটনাটি গুরুতর। মৃতদেহে ছবি দেখে মনে হচ্ছে এটা কোনও স্বাভাবিক মৃত্যু নয়।












