মণিপুরে ফের অশান্তির ছায়া। (Manipur Violence) গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক হামলায় কুকি সম্প্রদায়ের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছে এক ছয় বছরের শিশু। পাশাপাশি হামলার পর থেকে এক মহিলারও খোঁজ মিলছে না। দুই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে তামেংলং ও নোনেই জেলায়।
Manipur Violence: বাড়িতে হামলা, মৃত্যু দম্পতির
তামেংলং জেলার টোলেন গ্রামে প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে একটি কুকি নাগরিক সংগঠন। সেখানে সাইনেহ সিংসিত ও তাঁর স্ত্রী লিংজাংগাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় লিংজাংগাইয়ের। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তাঁর স্বামী। তাঁদের ছয় বছরের ছেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। শিশুটির শরীরে আটকে থাকা গুলি বের করতে আজ অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা।
চাল নিয়ে যাওয়ার পথে হামলা
(Manipur Violence) দ্বিতীয় ঘটনায় চাল নিয়ে যাওয়া একদল মানুষের উপর আচমকা হামলা চালায় অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জুলি গাংতে ও থাংরোয়েল গাংতের। তাঁদের সঙ্গে থাকা তৃতীয় ব্যক্তি এক মহিলা নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে।
দোষারোপ কুকি সংগঠনের
হামলার পিছনে NSCN(IM) ও ZUF(K)-এর নাগা জঙ্গিদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে কুকি সংগঠনগুলি। তবে হামলাকারীদের পরিচয় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
Manipur Violence: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা
মুখ্যমন্ত্রীর দফতর দুই নিরীহ নাগরিকের হত্যায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং বলেন, নিরীহ মানুষের উপর এমন কাপুরুষোচিত হিংসার কোনও স্থান সমাজে নেই।
দীর্ঘ সংঘাতের নতুন অধ্যায়
১৯৯২-৯৮ সালের কুকি-নাগা সংঘাতে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। (Manipur Violence) ২০২৩-এর কুকি-মেইতেই হিংসায় প্রাণ যায় ২৬০-র বেশি মানুষের। চলতি বছর মে মাসে কাঙপোকপি থেকে ছয় নাগাকে অপহরণের পর জুনে তাঁদের দেহ উদ্ধার হয়। ফেব্রুয়ারিতেও ১৪জন কুকি নিহত ও একাধিক বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
কূটনীতির মঞ্চে হঠাৎ কিশোর কুমার, ‘খোয়াব হো তুম’ গেয়ে নজর কাড়লেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী













1 thought on “মণিপুরে ফের কুকি-নাগা সংঘাতের আঁচ? মৃত্যু দম্পতির, গুরুতর জখম ১ শিশু”