CJP-র ডাকে শনিবার সকাল থেকেই দিল্লির জন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চড়ছিল উত্তেজনার পারদ। গতকাল থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল জোরদার। শনিবার দিল্লি পুলিশ সুপ্রিম কোর্টের ‘অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড’ সুমিতা হাজারিকা-সহ বেশ কয়েকজন আইনজীবীকে আটক করে। সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন এলাকা থেকেই আন্দোলনরত আইনজীবীদের পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। আইনজীবী মহলে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনার পারদ আরও বাড়ে (cjp protest)।
cjp protest : পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন আইনজীবীদের
সূত্রের খবর মোট চার আইনজীবীকে আটক করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে দুজন হলেন ‘অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড’। আটক আইনজীবীদের মধ্যে একজনের দাবি, তাঁদের পুলিশের গাড়িতে তোলার পর কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তাঁদের কিছুই জানানো হয়নি। অন্যান্য আইনজীবীরা আরও অভিযোগ করেন যে, ওই অভিযানে অংশ নেওয়া দুই পুলিশ সদস্যের গায়ে নেম প্লেট ছিল না (cjp protest)।
আইনজীবীরা আরও জানিয়েছেন, ” এওআর (AOR)—সুমিতা হাজারিকা এবং আরও দুজন আইনজীবীকে পুলিশের ভ্যানে তুলে নিয়েছে। এদের মধ্যে দুজনের কোনও নেম-প্লেট ছিল না। জানি না তাঁরা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে।” এই দাবির পাশাপাশি, ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, পুলিশের গাড়ির ভেতরে তিনজন মহিলা রয়েছেন এবং তাঁদের সঙ্গে ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশ সদস্যরাও রয়েছেন।
এই খবর আইনজীবী মহলে ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বেগ বাড়ে। তাঁদের দাবি, প্রায় ১০০ জন আইনজীবীকে আটক করে যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও আটক আইনজীবীর এই সংখ্যাটি সঠিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ঠিক কী কারণে তাঁদের আটক করা হলো, কিংবা যাদের আটক করার কথা বলা হচ্ছে তাঁদের সবাইকে একই স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কি না—তাও তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি (cjp protes)।
অন্যদিকে, সকালেই বিমানে সিজেপির তিন শীর্ষনেতা-সহ বহু কর্মী আটক হন। আটক হওয়ার পরও তারা বলেন, জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, নেতাদের ছাড়াই তা এগিয়ে যাবে। অভিজিৎ দিপকে বলেন, ‘‘দেশে জরুরি অবস্থার সময়ে ইন্দিরা গাঁধীও এ রকম করেননি। আমরা গ্রেফতার হতে প্রস্তুত।’’












1 thought on “বিক্ষোভের আগেই দিল্লিতে আটক আইনজীবীরা, পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন”
Comments are closed.