রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Gold price: জলের দরে মিলছে সোনা! কোথায় এমন বিক্রি হচ্ছে ? তাহলে তো খোঁজ নিতেই হচ্ছে

Published on: March 7, 2026
gold price
---Advertisement---

ভারতে বাজারে সোনার কিনতে গেলেই হাত ছ্যাকা লাগছে। অথচ সেখানেই একেবারে জলের বিকচ্ছে সোনা ! মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দুবাইয়ের সোনার বাজারে বড়সড় ধাক্কা হেনেছে (iran-us war) । যুদ্ধের জেরে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ফলে আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অতিরিক্ত ছাড়ে সোনা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অর্থাৎ প্রায় জলের দরেই বিকচ্ছে সকলের বহু কাঙ্খিত হলুদ ধাতুটি।

বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, লন্ডনের বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক দামের তুলনায় প্রতি আউন্সে প্রায় ৩০ ডলার পর্যন্ত কম দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে দুবাইয়ে। মূলত পরিবহন সমস্যার কারণে ব্যবসায়ীরা দ্রুত চালান পাঠাতে পারছেন না। ফলে অতিরিক্ত স্টোরেজ ও অর্থায়নের খরচ এড়াতে কম দামে সোনা ছাড়তে হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে অনেক ক্রেতাও নতুন অর্ডার থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। দ্রুত সরবারহের নিশ্চয়তা না থাকা এবং বাড়তি শিপিং ও বীমা খরচ দিতে অনীহা দেখাচ্ছেন তারা।

gold price

জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্তও বেশ কিছু সোনার চালান দুবাইয়ে আটকে ছিল। যদিও সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে কিছু উড়ানে সীমিত পরিমাণে সোনা পাঠানো শুরু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বিশেষ করে দুবাই, আন্তর্জাতিক সোনা বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এখান থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সোনা পরিশোধন ও রফতানি করা হয়। পাশাপাশি সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সোনার পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও দুবাই একটি বড় ট্রানজিট হাব।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত অষ্টম দিনে পৌঁছালেও এখনও কোনও সমাধানের ইঙ্গিত নেই। সাধারণত যাত্রীবাহী বিমানের কার্গো অংশে সোনা পরিবহন করা হয়। কিন্তু ফ্লাইট সীমিত হয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা বিকল্প পথ খুঁজছেন। সৌদি আরব বা ওমানের বিমানবন্দর ব্যবহার করার কথাও ভাবা হচ্ছে। যদিও স্থলপথে সীমান্ত পারাপারের ঝুঁকি ও জটিলতার কারণে অনেকেই সেই পথে যেতে অনিচ্ছুক।

ভারতের সোনার বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভারতের অন্যতম বড় সোনা ব্যবসায়ী সংস্থা অগমন্ট এন্টারপ্রাইজেসের গবেষণার প্রধান রেনিশা চৈনানি জানান, বেশ কিছু চালান পেতে দেরি হওয়ায় ভারতে স্বল্পমেয়াদে সোনার প্রাপ্যতা কিছুটা কমে যেতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আপাতত ভারতের বাজারে তেমন চাপ পড়েনি। মেটালস ফোকাসের দক্ষিণ এশিয়া প্রধান পরামর্শদাতা চিরাগ শেঠ বলেন, জানুয়ারিতে আমদানি বাড়ায় বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে পরিস্থিতি কয়েক মাস ধরে চললে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এদিকে চলতি বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্পট গোল্ডের দাম ইতিমধ্যেই প্রতি আউন্সে ৫,০০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। সর্বশেষ বাজারে এটি প্রায় ৫,১৭২ ডলার প্রতি আউন্সে লেনদেন হয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য থেকে কাঁচা সোনার সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে। ভারতের বৃহত্তম মূল্যবান ধাতু পরিশোধনাগার এমএমটিসি-প্যাম্পের সিইও সমিত গুহ জানিয়েছেন, যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে।


Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment