বয়সের ব্যবধান ১২ বছর। অল্প দিনের প্রেমের পরই আচমকা বিয়ে। অমৃতার বয়স তখন ৩৩। সইফ আলি খানের বয়স ২১ বছর। বিয়েতে এতটাই গোপনীয়তা বজায় ছিল যে দুই পরিবারের কেউই তাঁদের বিয়েতে উপস্থিত হয়নি। ১৯৯১ সালে বিয়ে করেন দুজন। সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের হঠাৎ বিয়ের খবর সংবাদমাধ্যম থেকে জানতে পারেন সোহা আলি খান ও সাবা আলি খান। কী ঘটেছিল? সম্প্রতি সেই কথা শেয়ার করলেন সোহা ও সাবা আলি খান (saif ali khan)।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁরা জানান, বিয়ের দিন তাঁরা স্কুলে ছিলেন। এই খবরটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর তাঁদের প্রিন্সিপালের অফিস থেকে ফোন করে বলা হয়েছিল, খবরটা সত্যি না মিথ্যে তাঁরা জানেন না। তাই এ বিষয়ে যেন কাউকে কিছু না বলা হয় (saif ali khan)।
saif ali khan: “আমাদের কাউকে কিছু না বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল”
একটি সাক্ষাৎকারে সাবা আলি খান বলেন, সইফের বিয়ের সময় তিনি ও সোহা দুজনেই স্কুলে পড়তেন। সে সময় সাবার বয়স ছিল ১৫ বছর। তিনি বলেন, “আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, তখনই তাঁর বিয়ে হয়েছিল।”
প্রিন্সিপালের কাছে আমাদের পরিবারের সদস্যদের ফোন আসে। সেই ফোনে বলা হয়, “আমরা যেন কাউকে কিছু না বলি। খবরটা কতটা সত্যি তা আমরা জানতাম না। তাই আমাদের বলা হলো যে, আমরা যেন কাউকে কিছু না জানাই।”
সোহা বলেন, “তখন আমরা খুবই ছোট ছিলাম। আমার মনে আছে, আমার এক শিক্ষক আমাকে এ কথা বলেছিলেন। পুরো বিষয়টি একেবারে শেষ মুহূর্তে ঘটেছিল।”
এই ঘরোয়া বিয়ের সাক্ষী ছিলেন বেশ কয়েকজন। তাঁরা নিকাহনামায় সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেছিলেন। নম্রতা জাকারিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে সেই ঘটনাগুলির কথা স্মরণ করে তাঁরা বললেন, “আমরা তাঁদের নিকাহনামায় সাক্ষী হিসেবে সই করেছিলাম। একদিন হঠাৎ তাঁরা আমাদের কাছে এসে বললেন, ‘আমরা এখনই বিয়ে করতে চাই!’ সইফই মূলত এ কথা বলেছিল। অমৃতা তখনও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিল। তাঁদের মধ্যে প্রেম ছিল এবং সাইফ তখন অমৃতার সঙ্গেই থাকছিল। মাস ছয়েক বা আটেক তো হবেই। সইফ বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিল, কিন্তু অমৃতা ছিল না। কখনও হ্যাঁ, আবার কখনও না।”
তাঁরা আরও জানায়, বিয়ের আয়োজন একেবারে শেষ মুহূর্তে করা হয়েছিল। বিয়েতে একজন মৌলবি ও একজন পুরোহিতকে ডাকা হয়েছিল। তাঁরা বলেন, “হাতে সময় ছিল না বলে যা হাতের কাছে পাওয়া গেল, তাই পরেই তিনি তৈরি হয়ে নিলেন। ভাগ্যিস, মায়ের কাছ থেকে পাওয়া চমৎকার কিছু গয়না তাঁর কাছে ছিল। সইফ পরেছিলেন একটি ‘বন্ধগলা’ স্যুট। এরপর মৌলবি সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার নাম কী? আপনার নাম তো A দিয়ে শুরু হতে হবে।’ আমরা চারজন একে অপরের দিকে তাকালাম, আর পুরোহিত বলে উঠলেন, ‘আজিজা’। ফেরার পথে তাঁর মা ফোন করেন। তবে শেষমেশ তাঁরা গোটা বিষয়টি সহজভাবেই মেনে নিলেন।”












