ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

‘কোনও কিছুই লজ্জিত করতে পারবে না’, রামমন্দিরে চুরি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

Allahabad High Court
---Advertisement---

অযোধ্যার রামমন্দিরে অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে ক্ষোভপ্রকাশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের। ‘কোনও কিছুই লজ্জিত করতে পারবে না’। অন্য একটি মামলায় সমাজের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই রামমন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে মন্তব্য, এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি অতুল শ্রীধরনের। তিনি বলেন, এই ঘটনায় যারা বিন্দুমাত্র বিচলিত নয়, তাদের আর কোনও কিছুতেই লজ্জিত করা সম্ভব নয় (Allahabad High Court)।

এদিন আদালতে একটি মামলার শুনানি চলাকালীন, বিচারপতি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের আওতায় সংঘটিত অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডেরও পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাম মন্দিরে অনুদানের অর্থ চুরির ঘটনা, ভারতীয়দের সততার চরম অধঃপতন”। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ সরকারের সাম্প্রতিক ‘বুলডোজার অভিযান’ নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেন বিচারপতি (Allahabad High Court)।

এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভারতীয়দের কাছে দুর্নীতি এখন একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ধরা না পড়া পর্যন্ত তারা এটিকে আর অন্যায় বলে মনে করেন না।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ২০২৫-এর প্রতিবেদনে ১৮২টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ৯১তম হওয়া সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে কোনও মাথা ব্যথার কারণই নেই”।

বিচারপতি শ্রীধরন বলেন, “রাম মন্দিরে অনুদান চুরির ঘটনাটি সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো। এই ঘটনাটি ভারতীয়দের সততার চরম অধঃপতনের প্রতীক। তাদের আর কোনো কিছুতেই লজ্জিত করা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, সমাজে দুর্নীতির শিকড় এতো গভীরে চলে গেছে,তাতে দুর্নীতি নির্মূল করতে রাজ্য সরকারের উচিত ১৯৮৮ সালের ‘দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন’ সংশোধন করে দুর্নীতিগ্রস্তদের মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করা।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের বুলডোজার অভিযানে উচ্ছেদ ও ভাঙচুরের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিচারক বলেন,” এই সমাজের এক শ্রেণির মানুষ দুর্নীতি করতে তাঁরা ‘বুলডোজার-বিচার’-এ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন।”


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now