রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

DRINKING WATER CRISIS: মধ্যপ্রদেশে পানীয় জল বিপর্যয়! প্রতি তিন গ্লাসের একটিই পানের অযোগ্য, দূষিত জল পানে একাধিক মৃত্যু

Published on: January 7, 2026
---Advertisement---

‘জলই জীবন’। এই প্রবাদ বাক্যটা বুঝি খাটছে না মধ্যেপ্রদেশে। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘জল জীবন মিশন’ কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশ এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে কার্যত শিউড়ে ওঠার উপক্রম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মধ্যপ্রদেশের গ্রামীণ এলাকার পানীয় জলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই নিরাপদ নয়। এই উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ মানুষ প্রতিদিনই দূষিত জল ব্যবহার করছেন। DRINKING WATER CRISIS

রিপোর্ট অনুযায়ী ওই রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় মাত্র ৬৩.৩% পানীয় জলের নমুনা মানসম্মত হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ ৩৬.৭% জল নমুনা পানের জন্য অযোগ্য বলে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ ওই
এলাকায়, প্রতি তিন গ্লাস জলের মধ্যে একটি পানের অযোগ্য!এই সমীক্ষায় মোট ১৫,০০০-এরও বেশি গ্রামের পরিবার থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, অনেক জায়গায় ব্যাকটেরিয়া, রাসায়নিক দূষণ ও অন্যান্য জীবাণুর মাত্রা বিপদসীমার উপরে রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ক্ষতি। বিশেষ করে আদিবাসী অধ্যুষিত অনুপ্পুর, ডিন্দোরি, পান্না, রেওয়া ও উমারিয়ায় একটিও নিরাপদ জলের নমুনা পাওয়া যায়নি। আরও খানিক উন্নত এলাকাগুলিতেও মাত্র কিছু অংশ নিরাপদ জলের যোগান নিশ্চিত করতে পেরেছে সে রাজ্যের সরকার।

সরকারি হাসপাতালগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ। মাত্র ১২% জল গুনমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পেরেছে। আর স্কুলগুলির ক্ষেত্রেও ,প্রায় ২৬.৭% মাত্রই নিরাপদ জল সরবরাহ হয় বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।DRINKING WATER CRISIS

সম্প্রতি ইনদওরের ভাগীরথপুরায় বিষাক্ত জল পান করে সরকারি হিসাবে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বমি-ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৪২৯ জন হাসপাতালে ভর্তি, যার মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাটিকে জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট। আরএই পরিস্থিতিতেই কেন্দ্রর নতুন পরিসংখ্যান চিন্তার উদ্ভব করেছে। DRINKING WATER CRISIS

পানীয় জলের এই সংকটের মধ্যে জরুরি প্রতিক্রিয়া না নেওয়া হলে জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিবেদনকারীরা বলছেন, জল সরবরাহ ব্যবস্থার সিস্টেম-সৃষ্ট ত্রুটি দ্রুত ঠিক না হলে বরাদ্দ এবং ব্যবস্থাপনা আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।


Trishita Roy

স্কুলে পড়াকালীনই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ এবং ভালোবাসা থেকে এই পেশায় আসা। সমাজের মানুষের কাছে যেকোনো ঘটনার নির্ভুলভাবে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ উইমেন্স কলেজ ক্যালকাটা তে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিষয়ে স্নাতক স্তরে পাঠরতা। বিনোদন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক এবং রাজনৈতিক প্রতিবেদন লেখায় বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অবসর কাটে সিনেমা দেখে, গান শুনে এবং বই পড়ার মাধ্যমে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment