সুপ্রিম কোর্টে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে পিটিশন দাখিল করে ‘ইন্ডিয়া জোট’-এর সাংসদরা। মঙ্গলবার এই নিয়ে রাহুল গান্ধীর অভিযোগের কড়া সমালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের দ্বিমুখী আচরণের অভিযোগ এনেছেন তিনি (Rahul Gandhi)।
Rahul Gandhi: রাহুলের ১০ প্রশ্নের জবাব
একটি সংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, রাহুল গান্ধীর ১০টি প্রশ্নের জবাব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে হারলে কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, অথচ জিতলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে। গোয়েল বলেন, “রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদসংকেত।” তিনি আরও বলেন,কংগ্রেস নেতার এই আচরণ দলের নির্বাচনী সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে (Rahul Gandhi)।
ভোট চুরির বিষয়ে রাহুল গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে গোয়েল প্রশ্ন তোলেন, কেন রাহুল গান্ধী তাঁর অভিযোগের সপক্ষে নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনও হলফনামা জমা দেননি। তিনি আরও জানতে চান, বিহারে যখন এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া চালানো হয়েছিল তখন কেন কংগ্রেস আপত্তি তোলেনি এবং তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় কেন কোনও কথা বলেনি।
এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে গোয়েল বলেন, রাজপথে নামার পরিবর্তে সাংবিধানিক পথ অনুসরণ করা উচিত। তিনি ড. বি আর আম্বেদকরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যখন সাংবিধানিক পদ্ধতি উপলব্ধ থাকে, তখন সেইগুলিকে পরিত্যাগ করা মানেই হলো নৈরাজ্যের পথ বেছে নেওয়া।”
এমনকি, বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালীন এক অন্তঃসত্ত্বা সাংবাদিককে ধাক্কা দেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে রাহুলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি দাবি করেন, তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক সাংবাদিক বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে যান এবং পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। গোয়েল বলেন, “তিনি কেবল তাঁদের বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করছিলেন এবং কয়েকটি প্রশ্ন করছিলেন।” তিনি অভিযোগ করেন যে, রাহুল গান্ধী ও তাঁর সহকর্মীরা ওই সাংবাদিকের সঙ্গে অভ্যব্য আচরণ করেছেন।











