টানা ১৭ দিন ধরে চলছে অনশন। পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অবস্থার অবনতিও হচ্ছে রোজ (sonam wangchuk hunger strike)। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, NEET-এর প্রশ্নফাঁস থেকে শুরু করে অন্যান্য পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার-সহ নানা দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে তিনি অনশন করছেন। সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবনতির কথা জানিয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টি। মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP)প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে পোস্ট করে জানান, ‘‘তাঁকে অনশন ভাঙতে বলার পরিবর্তে সরকার কেন এখনও আলোচনায় বসছে না, সে প্রশ্নই করা উচিত।’’
ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) জানিয়েছে, অনশন শুরুর পর থেকে সোনমের ওজন কমেছে ৮.২ কেজি (sonam wangchuk hunger strike)। সোনমের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে ডেসিলিটার প্রতি ৬৭ মিলিগ্রামে দাঁড়িয়েছে। তবে এখনও অনশন চালিয়ে যেতে চান তিনি।
সোনমের বার্তা, ‘‘আমি গান্ধি নই, নায়কও নই। সাধারণ মানুষ। নিজে নিজের নায়ক হোন। নাগরিক হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করুন।’’ তিনি এ-ও জানান, তাঁর এই লড়াইয়ে সাধারণ মানুষকে তিনি পাশে পেয়েছেন। উল্লেখ্য, আগামী ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘ককরোচ’ দল।
অন্যদিকে এই অবস্থায় সোনাম ওয়াংচুককে এই অনশন প্রত্যাহার করে নেওয়ার বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে তিনি একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “সরকার আপনার এবং কোটি কোটি যুবকের জীবন নিয়ে ভাবিত নয়। কিন্তু আমাদের জন্যই আপনার বেঁচে থাকা জরুরি। দয়া করে অনশন প্রত্যাহার করুন এবং লড়াই জারি রাখুন।” মহুয়া আরও বলেন, “বিচারের লড়াইয়ে দেশের যুবকদের ঐক্যবদ্ধ করেছে আপনার অনশন। আপনি আপনার লক্ষ্যে সফল।”
দিল্লির যন্তর-মন্তরে চলা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’(CJP)-র এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন আপ (AAP) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পাশাপাশি তিনি সোনম ওয়াংচুককে অনশন প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ করেন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে কেজরিওয়াল জানান যে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় তিনি যন্তর মন্তরে গিয়ে ওয়াংচুক এবং CJP-র এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সমর্থন জানাবেন।
সোমবার সোনমদের লড়াইকে সমর্থন জানিয়ে যন্তরমন্তরে উপস্থিত হয়েছিলেন সাহিত্যিক অরুন্ধতী রায়, অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক শাহ এবং অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষ। তাঁরাও সোনম-সহ অন্য অনশনকারীদের অনশন তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেন।












1 thought on “১৭ দিনের অনশন, ভাঙছে শরীর, কেমন আছেন সোনম ওয়াংচুক?”