তিনি বিশ্বসুন্দরী। ১৯৯৪ সালে চোখের জাদুতে ভারতীয় এই অভিনেত্রীকে দেখে চমকে গিয়েছিল গোটা দুনিয়া। দেশে ও বিদেশে সকলের নজর কাড়তে পারেন তিনি। হলিউডের তারকারাও তাঁর চোখের গুণমুগ্ধ। তিনি বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। ১ নভেম্বর তিনি ৫৩ বছরে পা দিলেন (aishwarya rai)। ৫৩-তেও তিনি এত ফিট কীভাবে? সকলের প্রশ্ন একটাই। এতো বছরেও তাঁর রূপের কোনও ঘাটতি দেখা যায়নি। কী করেন ঐশ্বর্য? কী খাবার খান? কীভাবে তিনি নিজেকে ফিট রাখেন? জানতে চান?
তাঁর সৌন্দর্য এবং ফিটনেসের জন্য তিনি সর্বদা প্রশংসিত। অনেকেই তাঁর খাদ্যাভ্যাস এবং কীভাবে তিনি নিজেকে ফিট রাখেন, তা নিয়ে কৌতূহলী। খাবারের ক্ষেত্রে, ঐশ্বর্য রাই সাধারণত বাড়িতে তৈরি সাধারণ খাবার খেতে পছন্দ করেন। তিনি কোনও কঠোর ডায়েট অনুসরণ করেন না। বরং তাঁর দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ডাল, রুটি, শাকসবজি ও ফল রাখতে ভালোবাসেন। এছাড়া তিনি অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড ও বেশি মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলেন এবং বারে বারে অল্প পরিমাণ খাবার খেতে পছন্দ করেন। এক গ্লাস গরম জলে মধু ও লেবু মিশিয়ে তা খেয়ে অভিনেত্রী তাঁর দিন শুরু করেন। সকালের ব্রেকফাস্ট তিনি কখনও বাদ দেননা। রাতে হালকা খাবার খেতে পছন্দ করেন।
aishwarya rai: ঐশ্বর্য সারাদিনে কী কী খাবার খান?
সকালের খাবার : মধু ও লেবু মেশানো এক গ্লাস উষ্ণ জল খেয়ে তিনি তাঁর দিন শুরু করেন। এরপর সকালের ব্রেকফাস্টে তিনি খান ব্রাউন ব্রেড টোস্ট ও ওটস। কসমোপলিটান-এর তথ্য অনুযায়ী, তিনি সকালের খাবার কখনই তাঁর খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেন না (aishwarya rai)। প্রোটিন ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খেতে বেশি পছন্দ করেন তিনি।
দুপুরের খাবার : দুপুরের খাবারে অভিনেত্রী সাধারণ ঘরোয়া খাবার খেতে পছন্দ করেন। তাঁর খাবারের তালিকায় ডাল, রুটি এবং সেদ্ধ শাকসবজি থাকে। তেলযুক্ত বা ভাজা-ভুজি খাবারের চেয়ে তিনি বাড়িতে রান্না করা খাবারই বেশি পছন্দ করেন। এছাড়া তিনি খাবারের পরিমাণ বুঝে খান। বারে বারে অল্প পরিমাণ খাবার খেতে পছন্দ করেন।
রাতের খবার : রাতে খাবার হালকা রাখতে পছন্দ করেন ঐশ্বর্য। তাঁর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি সাধারণত ব্রাউন রাইস (লাল চালের ভাত) এবং তার সঙ্গে গ্রিল করা মাছ খেতে খুব পছন্দ করেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মরসুমের ফল খেতে পচ্ছন্দ করেন। ফলের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের বেরি তাঁর প্রিয়। অকাই বেরি, ব্লু বেরি, স্ট্রবেরি খেতে খুবই ভালবাসেন।
শরীর ফিট রাখতে খাদ্যাভাসের পাশাপাশি শরীরচর্চার দিকেও নজর দেন ঐশ্বর্য। তবে তিনি জিমে গিয়ে কঠোর শরীরচর্চার চেয়ে যোগব্যায়াম করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তাঁর ফিটনেস রুটিনের মধ্যে রয়েছে সকালের হাঁটা, জগিং এবং প্রায় ৪৫ মিনিটের যোগব্যায়াম।












