বেবি পাউডারের অন্যতম পরিচিত নাম Johnson’s Baby Powder। কিন্তু এই পণ্যে ব্যবহৃত খনিজ পদার্থ ট্যাল্ককে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যানসার গবেষণা সংস্থা IARC ট্যাল্ককে মানুষের জন্য ‘সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী’ বা Group 2A হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে। বিশেষত ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের সঙ্গে ট্যাল্ক ব্যবহারের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে গবেষণার কথা উল্লেখ করা হয়। তবে Johnson & Johnson বরাবরই দাবি করে এসেছে, তাদের ট্যাল্ক-ভিত্তিক পণ্য নিরাপদ এবং ট্যাল্কের কারণে ক্যানসার হয়—এমন নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। (Johnson Baby Powder)
মামলার পাহাড়, বিপুল অঙ্কের সমঝোতা
এই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত গড়ায় আমেরিকার আদালতে। প্রায় এক দশক ধরে চলা আইনি লড়াইয়ে Johnson & Johnson-এর বিরুদ্ধে ট্যাল্ক-ভিত্তিক বেবি পাউডার ব্যবহারে ডিম্বাশয়ের ক্যানসার হওয়ার অভিযোগে হাজার হাজার মামলা দায়ের হয়। সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, সংস্থাটি প্রায় ৫৫০ কোটি ডলার বা ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতার প্রস্তাব ঘোষণা করেছে। প্রস্তাবটি প্রায় ৭৬ হাজারটি মামলা মেটানোর লক্ষ্যেই করা হয়েছে এবং অন্তত ৯৫ শতাংশ দাবিদার এতে সম্মতি দিলে চুক্তিটি কার্যকর হবে। (Johnson Baby Powder)
২০২৭ থেকে শুরু হতে পারে অর্থপ্রদান
প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালে সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি ডলার পর্যন্ত প্রাথমিক অর্থপ্রদান করা হতে পারে। বাকি অর্থ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে ২০২৮ সাল থেকে। তবে এই সমঝোতা সংস্থার দায় স্বীকার করার অর্থ নয়। Johnson & Johnson এখনও অভিযোগ অস্বীকার করছে এবং বলছে, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের বদলে মামলাগুলির নিষ্পত্তির পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
২০১৬-তেই সামনে আসে বিতর্ক
ট্যাল্ক নিয়ে আইনি বিতর্ক নতুন নয়। ২০১৬ সালে এক মার্কিন মহিলার ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে মৃত্যুর ঘটনায় আদালত Johnson & Johnson-কে ৭ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছিল। যদিও এক বছর পর সেই রায় বাতিল হয়ে যায়। (Johnson Baby Powder)
আরও পড়ুন :- স্মুদি খেয়েই ফিট ক্যাটরিনা, কী ভাবে বানাবেন আপনি? রইল রেসিপি













3 thoughts on “বেবি পাউডার থেকে ক্যানসার ? মামলা মেটাতে বিপুল টাকার প্রস্তাব Johnson & Johnson-এর”