সাংবাদিক বৈঠকে এডমুন্ডকে পাশে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। এডমুণ্ড আসতেই পারেননি। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে সাংবাদিক বৈঠকে হাবাসই বসলেন। এক দশকের বেশি সময় ভারতীয় ক্লাব ফুটবলে কাজ করছেন। প্রতিপক্ষক তাঁর নখদর্পণে। দীর্ঘদিন এদেশে থাকায় ইংরেজি বলায় সাবলীলতা এসেছে। আগের সেই রাগী হাবাস নন এখন তিনি হাসমুখ স্প্যানিশ।লাল হলুদ শিবির বিশ্বাস করে ফুটবলারদের দক্ষতার পরেও দলের এক্স ফ্যাক্টর স্প্যানিশ হেডস্যর (east bengal)।
east bengal: ফের ডার্বি ফাইনালের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল
ডার্বি হারের ধাক্কা সরিয়ে ইস্টবেঙ্গল ফের ডার্বির সামনে। গ্রুপ লিগের সাধারণ লড়াই নয়। এবার ট্রফি তোলার দ্বৈরথ। একই সঙ্গে চিরপ্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সম্মান পুনঃরুদ্ধারের লড়াই। তাই ডুরান্ড ফাইনালের চব্বিশ ঘণ্টা আগে অনুশীলন ছুটি দিলেও লাল হলুদ জনতা বিস্মিত হয় না। যদিও এর আগেও ডার্বির আগে দলকে ছুটি দেওয়ার নজির ইস্টবেঙ্গলে রয়েছে (east bengal)।
হাবাস বলছেন তিনি ফাইনালের প্রস্তুতি হোটেলেই সেরে নিচ্ছেন। জিম সেশন এবং টিম মিটিংয়ে নীল নকশা ঠিক করবেন। পিভি বিষ্ণু চোটের জন্য ছিটকে গিয়েছেন, পুরানো খবর। এফিয়ং আসতে পারছেন না তা নতুন খবর নয়। ডুরান্ড হোক বা এএফসি হাবাস তাঁর দলের রসদ অনুযায়ী দল সাজিয়ে সাফল্য নিয়ে এসেছেন।
ডার্বি নিয়ে হাবাস বলেন, “আমি কুড়ি শতাংশ তরুণ তিরিশ শতাংশ অভিজ্ঞ।” প্রতিপক্ষ মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের পুরো দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। কোনও ব্যক্তিবিশেষের নৈপূন্যে নয়। ডুরান্ড কাপ জয়ের হাতছানি উপেক্ষা করতে নারাজ। তাই জয়ের ভাবনা প্রতিটি ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও রয়েছে। আগেই বলেছিলেন ডুরান্ড জয় পাখির চোখ। সেকথার পুনরাবৃত্তি করে পরবর্তী ভাবনায় এএফসি এবং আইএসএলের কথাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন।











