ভারতের ঝুলিতে ফের সোনার পদক। এশিয়ান গেমসের তিরন্দাজিতে মেয়েদের দলগত বিভাগে সোনা জেতার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভারতের ঝুলিতে ফের সোনার পদক। বুধবার কম্পাউন্ড মিক্সড টিমের ইভেন্টে সোনা জিতল ভারত। দক্ষিণ কোরিয়াকে পর্যুদস্ত করে শুট অফে হারিয়ে সোনা ছিনিয়ে নিল ভারতের সাহিল রাজেশ যাদব ও চিকিথা তানিপার্থি জুটি। ফলে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের সরাসরি ছাড়পত্রও পেয়ে গেল দল (asian games 2026)।
asian games 2026: রুদ্ধশ্বাস লড়াই
ফাইনালে ওঠার পথ ভারতের জন্য মোটেও সুগম ছিলো না। সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডের কনোকনাপুস কাওচোমফু ও পিরাওয়াত রত্তানাপোংকিয়াত শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পদকের দৌড়ে ভারতের সঙ্গে ছিল। থাইল্যান্ড ১৫৫ স্কোর করে খেলা থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর ফাইনালে উঠতে দুটি তিরে দরকার ছিল পারফেক্ট ২০। স্নায়ুচাপ বাড়িয়ে তুলে চিকিথা নিখুঁত ১০ মারেন এবং সাহিল শেষ তিরটি ১০-এ মারেন। ফলে ১৫৭-১৫৫ ব্যবধানে ভারতের ফাইনালে ওঠার পথ নিশ্চিত হয় (asian games 2026)।
ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়া বনাম ভারত
ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার জংইউন পার্ক ও ইয়ংহি চোইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ। প্রথম এন্ড থেকেই আক্রমণাত্মক ছন্দে দেখা গিয়েছিল ভারতের সাহিল রাজেশ যাদব ও চিকিথা তানিপার্থি জুটিকে। চিকিথা ও সাহিল দু’জনেই পর পর দুটি করে পারফেক্ট ১০ মেরে প্রথম এন্ডে ভারতকে ৪০-৩৯ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয় এন্ডেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টানা আরও দুটি করে ১০ মারেন তাঁরা। ফলে প্রথম আটটি তিরের সবকটিতে ১০ মেরে ৮০-৭৮ ব্যবধানে লিড নেয় ভারত (asian games 2026)।
তৃতীয় এন্ডের শুরুতেও কোরিয়ার দুটি ১০-এর জবাবে ভারত টানা দুটি ১০ ছুড়ে একপর্যায়ে ১০০/১০০ স্কোরে পৌঁছয়। তবে এরপরই কিছুটা ছন্দপতন ঘটে। চিকিথা ও সাহিল উভয়েই একটি করে ৯ মারায় ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ১১৮-১১৭-তে। চতুর্থ এন্ডে ম্যাচ আরও হাড্ডাহাড্ডি হয়। কোরিয়ার পার্ক ও চোই টানা চারটি ১০ মেরে ভারতকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। ভারতের সোনা নিশ্চিত করতে দরকার ছিল টানা দুটি ১০। চিকিথা ৯ মারায় আশঙ্কার মেঘ জমলেও সাহিল ঠান্ডা মাথায় ১০ মেরে ম্যাচ ড্র করেন।
সাডেন-ডেথ শুটঅফে প্রতিটি তিরন্দাজের জন্য বরাদ্দ ছিল মাত্র একটি করে তির। প্রথমে নেমে ভারতের চিকিথা দুর্দান্তভাবে ১০ মারেন, জবাবে কোরিয়ার পার্কও ১০ মারেন। এরপর সাহিল নিখুঁত ১০ মেরে কোরিয়ান পুরুষ তিরন্দাজের ওপর চরম চাপ তৈরি করেন। সেই চাপে নতিস্বীকার করে কোরিয়া।












