রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

সারের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে, কালোবাজারি রুখতে কড়া প্রশাসন

overcharging for fertilizer
---Advertisement---

চাষিদের অভিযোগ ছিল, সরকারের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকার করলে ব্যবসায়ীরা সার বিক্রি না করে ‘স্টকে নেই’ বলে অজুহাত দিচ্ছেন। পশ্চিম বর্ধমান জেলার কিছু সার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, সরকারি দামে বিক্রি করার কথা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে দ্বিগুণ দাম পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক অভিযোগ পৌঁছায় জেলা প্রশাসনের কাছে (overcharging for fertilizer)।

overcharging for fertilizer: কী পদক্ষেপ প্রশাসনের?

কৃষকদের কাছ থেকে এই অভিযোগ পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কৃষি দফতর ও এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ যৌথভাবে জেলার বিভিন্ন ব্লকে সার ডিলারদের দোকান ও গুদামে অভিযান চালায়। অভিযানে সারের মজুত, বিক্রির হিসাব, স্টক রেজিস্টার এবং মূল্য তালিকা খতিয়ে দেখা হয়। কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না বা অতিরিক্ত মজুত করে রাখা হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।

প্রতিটি বিক্রেতাকে সরকারি নির্দেশিকা মেনে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করতে হবে। দোকানে মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে জেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলাশাসক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা এবং আইনি পদক্ষেপও করা হতে পারে। তিনি জানান, কৃষকদের যাতে কোনও সমস্যায় পড়তে না হয়, সে জন্য আগামী দিনেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চলবে।

কৃষি দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, চাষের মরসুমে সার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই কোনও কৃষক যেন আতঙ্কিত হয়ে বেশি দামে সার না কেনেন। কোথাও অনিয়ম চোখে পড়লে প্রশাসন বা কৃষি দফতরে অভিযোগ জানানোর আবেদন করা হয়েছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে জেলার কৃষকদের একাংশ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

2 thoughts on “সারের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে, কালোবাজারি রুখতে কড়া প্রশাসন”

Leave a Comment