রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

CENTRAL BUS STAND: বাস স্ট্যান্ড নাকি আবর্জনা স্তূপ? হেলদোল নেই প্রশাসনের, নাজেহাল যাত্রী থেকে গাড়ির চালক!

Published on: January 5, 2026
---Advertisement---

বেহাল দশায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদা শহরের প্রধান বাসস্ট্যান্ডটি। এই বাসস্ট্যান্ডের একদিকে রয়েছে জেলার প্রবেশদ্বার। অন্যদিকে রেলপথ এবং সড়ক পথে জেলার মূল যোগাযোগের ব্যবস্থা । হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর- এই চার জেলার মানুষজনের নিত্যদিনের যাতায়াতের প্রধান পথ এই মেচেদা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড। প্রতিনিয়ত কয়েক লক্ষ মানুষ যাতায়াত করে এই পথ ধরে। কিন্তু বর্তমানে যেভাবে সেখানে নোংরা আবর্জনা জমে রয়েছে, তাতে নজরদারির অভাব স্পষ্ট রয়েছে। গোটা বাসস্ট্যান্ড জুড়ে যত্রতত্র ছড়িয়েছে ছিটিয়ে রয়েছে আবর্জনার স্তূপ।

এই মেচেদা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডের (CENTRAL BUS STAND) দেখভাল এর দায়িত্বে রয়েছে তমলুকের এসডিও। বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশ দেখে ক্ষুব্ধ ড্রাইভার থেকে নিত্যযাত্রীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা । তাদের অভিযোগ, এমনটা আজকের নয়। বহুদিন ধরেই নোংরা আবর্জনার দুর্গন্ধে ভরে থাকে গোটা বাস স্ট্যান্ড। কিন্তু প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই।

বাসস্ট্যান্ডের সামনে রয়েছে পানের আরত এবং পাইকারি মাছের আড়ত। প্রতিদিন কয়েকশো গাড়ি এবং কয়েকশো বাস যাতায়াত করে এই রাস্তায়। প্রতিদিন গাড়ি ঢুকলেই দিতে হয় ট্যাক্স। এদিকে পরিষেবার কোনও নাম গন্ধ নেই।

বাস স্ট্যান্ড পরিষ্কার করার জন্য নাকি রয়েছে ৭ জন সাফাই কর্মী। তাদের অভিযোগ, যারা নোংরা আবর্জনা নিয়ে যেত, তারা গত সাত দিন ধরে কাজ করছে না। কেন করছে না জানি না। এমন ঘটনা কেন ঘটছে? উত্তর নেই কারো কাছে। বাসের ড্রাইভার থেকে কন্ডাকটর সবারই অভিযোগ, সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে (CENTRAL BUS STAND) ঢুকতে হলেই টাকা দিতে হয়। কিন্তু পরিচ্ছন্নতা কোথায়? কোন খাতে যাচ্ছে সেই টাকা? এবারে অবশ্য প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুলেছেন নিত্য যাত্রীরা।


Trishita Roy

স্কুলে পড়াকালীনই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ এবং ভালোবাসা থেকে এই পেশায় আসা। সমাজের মানুষের কাছে যেকোনো ঘটনার নির্ভুলভাবে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ উইমেন্স কলেজ ক্যালকাটা তে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিষয়ে স্নাতক স্তরে পাঠরতা। বিনোদন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক এবং রাজনৈতিক প্রতিবেদন লেখায় বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অবসর কাটে সিনেমা দেখে, গান শুনে এবং বই পড়ার মাধ্যমে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment