রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

ভারতে এসে একাধিক পোস্ট দেবাশিসের, মৃত্যুর আগে কী লিখেছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিক?

new market hotel fire
---Advertisement---

ভারতে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। কিন্তু এমন পরিণতি হবে- তা কেই বা ভাবতে পেরেছিলেন। তিনি উঠেছিলেন, কলকাতার নিউ মার্কেটের সেই অভিশপ্ত হোটেলে। তারপরেই সব শেষ। আগুনের গ্রাসে চলে গেল গোটা পরিবার। বুধবার নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার একই পরিবারের ৪ জন। দেবাশিস দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের পুত্রসন্তান শর্ণশীষ দত্ত এবং তাঁর শ্বশুর মহম্মদ আকরাম (new market hotel fire)।

new market hotel fire: ভারতে এসে কী লিখেছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিক?

সূত্রের খবর, দেবাশিস দত্ত পেশায় সাংবাদিক। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘আজকের পত্রিকা’-র সাংবাদিক তিনি। কুষ্টিয়া জেলায় সাংবাদিকতা করতেন। ৩ অগস্ট স্ত্রী, সন্তান ও শ্বশুরমশাইকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন দেবাশিস। ১৮ অগস্ট বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতা ফিরেছিলেন। উঠেছিলেন, নিউ মার্কেটের এই হোটেলে। ভারতে এসে একাধিক পোস্ট সমাজ মাধ্যমে তিনি করেছিলেন। একটি পোস্টে তাঁকে লিখতে দেখা যায় ‘টানা ১৩ দিন পর বাই বাই বেঙ্গালুরু’। আরও একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তবুও সবকিছুর জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞ’। হৃদয় স্পর্শী এই পোস্টে নেটিজেনদের কমেন্টের বন্যা।

১৯ অগস্ট কলকাতা থেকেই তাঁদের বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তা আর হলো না। আগুনের গ্রাসে চলে গেল গোটা পরিবার। দেবাশিসেরই এক আত্মীয় মালদায় থাকেন। তিনিও সেই সময় কলকাতায় ছিলেন। ঘটনার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি কলকাতা পুলিশের মর্গে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন।

আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় যুবকরা উদ্ধারকাজে হাত লাগান। হোটেলে বাকিদের ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। হোটেলগুলিতে গিয়ে চিৎকার করে সবাইকে বেরিয়ে আসার জন্য সতর্ক করেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের এই অংশটি মূলত পর্যটকদের থাকার জায়গা। এখানে বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা অতিথিরা নিয়মিত থাকেন। আগুন লাগার সময়ও হোটেলগুলিতে বহু পর্যটক ছিলেন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

1 thought on “ভারতে এসে একাধিক পোস্ট দেবাশিসের, মৃত্যুর আগে কী লিখেছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিক?”

Leave a Comment