রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

TMC আউট BJP ইন, জৌলুস হারাবে তৃণমূল নেতাদের দুর্গাপুজো?

durga pujas of kolkata
---Advertisement---

আগে গদি তারপর পুজোটুজো হবে ক্ষণ। পুজো নিয়ে এখন ভাবার সময় নেই তৃণমূল নেতাদের। রাজ্যে পালাবদলের পর এখন তৃণমূল নেতাদের দুর্গাপুজোর ভবিষ্যৎ কী? এই প্রশ্নই এখন সাধারণ মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে কি জৌলুস হারাবে পুজো? নাকি এক্কেবারে বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ বেশ কয়েকটি বড় বড় বাজেটের পুজোর কর্ণধাররা এখন জেলবন্দি। আবার অনেকেই পুজো নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন (durga pujas of kolkata)।

এই যেমন ধরুন, কলকাতার দুর্গাপুজো বলতেই যে পুজোর নামগুলি সবার আগে মনে পড়ে সেগুলো হলো শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব, সুরুচি সংঘ, টালা প্রত্যয়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বোসের পুজোর জাঁকজমকে বিস্মিত হয় আট থেকে আশি। প্রায় ১৫ দিন ধরে চলে উৎসব (durga pujas of kolkata)। শুধু লেকটাউনের এই পুজো কেন, উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে তৃণমূল নেতা এবং প্রাক্তন মন্ত্রীদের বহু পুজো। পুজোর আর ৪ মাসও বাকি নেই। এখন প্রশ্ন তৃণমূলের হেভিয়য়েটদের পুজোর এবার ভবিষ্যৎ কী?

রথের আগে থেকেই এই নামজাদা ক্লাব গুলির বিগ বাজেটের পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়, রথের দিন হয় খুঁটিপুজো। এই সময়ে শহরের নামী পুজোর বেশিরভাগেরই মণ্ডপ তৈরির কাজ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা। অরূপ বিশ্বাসের পুজো বলে পরিচিত সুরুচি সংঘ চত্বরে এখনও পর্যন্ত কোনও পুজো পুজো গন্ধ নেই। আপাতত তিনি ব্যস্ত নিজেকে ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণ করতে।

গড়িয়াহাট এলাকার দুই বিগ বাজেটের পুজো হিন্দুস্তান ক্লাব এবং ত্রিধারার নেপথ্যেও দুই প্রাক্তন বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং দেবাশিস কুমার। তাঁরাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাম লিখিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি কিন্তু বেশ জটিল।

পাটুলি এলাকার কেন্দুয়া শান্তি সংঘের পুজোর প্রধান উদ্যোক্তা তথা কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বর্তমান ঠিকানা পুলিশ হেফাজত। ফলে পুজোর প্রস্তুতির কোনও তোড়জোড়ই চোখে পড়ছে না। ক্লাবের তরফে যদিও বলা হচ্ছে, প্রতিবারের মতোই পুজো হবে এবারও। রাজডাঙা নব উদয় সংঘের পুজোর পৃষ্ঠপোশক সুশান্ত ঘোষও এখন পুলিশের জালে।

মাঝে ২৫ বছরের ব্যবধান, তারপর মিলন, আজ গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে নতুন জীবনে আমির খান

কলকাতার পুজো কমিটিগুলির জন্য মুক্তহস্তে অনুদান দিতেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৫ সালে ক্লাব পিছু পুজোর অনুদান বাড়িয়ে করেছিলেন ১ লক্ষ ১০ হাজার। ফলে রাজ্য়ের রাজকোশের একটা বড় অর্থ চলে যেত পুজো খাতে। পুজো থেকে আয়ের পরিমাণও ছিল আকাশছোঁয়া। তবে বিরোধীরা বারবার দাবি করেছে, এই আয়ের অর্ধেকই চলে যেত তৎকালীন নেতা-মন্ত্রীদের পকেটে। আর সেই অভিযোগ যে নেহাত মিথ্যে ছিল না, তা লেকটাউনের বাসিন্দাদের একাংশের কথাতেই স্পষ্ট। শ্রীভূমির স্পোর্টিং ক্লাবের নামে ৫০ শতাংশ অর্থ যেত সুজিত বোসের কাছে! তাই শ্রীভূমির যে চাকচিক্য দেখে অভ্যস্ত পুজোপ্রেমীরা, এবার হয়তো তা দেখা যাবে না।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment