কার্গিল বিজয় দিবসে একাধিক বিষয়ে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শহিদ সেনাদের স্মরণ থেকে শুরু করে প্রশ্নফাঁস রুখতে কেন্দ্রের আইন, সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা উঠে আসে তাঁর কথায়। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে অস্থায়ী শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। (Suvendu Adhikari)
কার্গিলের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা
শুভেন্দু বলেন, “কার্গিল বিজয় দিবস দেশের গর্বের দিন। ভারতমাতার সুরক্ষায় যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের স্মরণ করতেই নন্দীগ্রামে অস্থায়ী শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।” তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে কার্গিল যুদ্ধে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়ের কথাও স্মরণ করেন এবং শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। (Suvendu Adhikari)
প্রশ্নফাঁস রুখতে মোদির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি
কেন্দ্রের প্রস্তাবিত প্রশ্নফাঁস বিরোধী কঠোর আইন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বরাবরই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করেন। তাঁর কথায়, শুধু আইন প্রণয়ন নয়, তা দ্রুত কার্যকর করতেও কেন্দ্র গুরুত্ব দিচ্ছে। আন্দোলনকারীদেরও প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের উপর আস্থা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। (Suvendu Adhikari)
সাংবাদিকদের উপর হামলায় ‘গুণ্ডা দমন আইন’-এর হুঁশিয়ারি
সাম্প্রতিক সাংবাদিক নিগ্রহের প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার সকলের থাকলেও সাংবাদিকদের উপর পরিকল্পিত হামলা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যাঁরা সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের মারধর করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবার আক্রান্ত সাংবাদিকরাই সাহস করে এফআইআর দায়ের করেছেন এবং ইতিমধ্যেই ভিডিয়ো ফুটেজের ভিত্তিতে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান তিনি। (Suvendu Adhikari)
বামেদের মিছিল নয়, ‘বিদেশি মদতপুষ্ট শক্তি’— দাবি শুভেন্দুর
সাম্প্রতিক NEET-এর আন্দোলন প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, সেটি প্রকৃত অর্থে বামেদের মিছিল ছিল না। প্রথমে একটি ‘সেলফ-ডিক্লেয়ার্ড ককরোচ পার্টি’র কর্মীরাই আন্দোলন শুরু করে, পরে বামপন্থীরা তাতে যোগ দেয়। তাঁর আরও অভিযোগ, ঘটনায় যুক্তদের সঙ্গে NEET আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই এবং তারা ছাত্রও নয়। এদের ‘জামাতি’, ‘মৌলবাদী’ এবং বিদেশি শক্তির মদতপুষ্ট বলে দাবি করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে বলেও উল্লেখ করেন বিরোধী দলনেতা।
এছাড়া খারিজি মাদ্রাসার তদন্ত, অবৈধ OBC শংসাপত্র বাতিল, ১৯৫০ সালের পশু হত্যা আইন কার্যকর এবং শব্দদূষণ সংক্রান্ত সরকারি পদক্ষেপের জেরেই একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, আইনের শাসন বজায় রেখেই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে গণতান্ত্রিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে জানান তিনি। (Suvendu Adhikari)
আরও পড়ুন :-ধর্মেন্দ্রর পর এ বার পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর, ‘কবে আন্দোলন করবে?’ প্রশ্ন শ্বেতা তিওয়ারির












