উমা পাড়ি দিয়েছেন কৈলাসে। বাতাসে বিষাদের সুর। মন খারাপ মালদার ঢাকিদের। অনেকেই এবারে পুজোর বরাত পাননি। তাই বাধ্য হয়েই বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। পুজোর ঠিক আগে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল মালদায়। সেই বন্যায় অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছেন। এবার তাঁদের মুখেই হাসি ফোটাতে এগিয়ে এলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা (Malda Dhaki)।
Malda Dhaki: সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
মালদার টাউন স্টেশনে ঢাকিদের হাতে ও তাঁদের সন্তানদের নতুন বস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। সমাজসেবী ঋতিকা পাল জানান, তাঁরা বন্যার সময় মালদায় গিয়েছিলেন। সেই সময় তাদের দুর্দশার ছবি দেখে এসেছেন। পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে শোকাহত তাঁরা। সঙ্গে বন্যায় সব হারিয়ে অনেকে আবার সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন। তাই তাদের মুখে হাসি ফোটাতে এমন উদ্যোগ (Malda Dhaki)।
তিনি আরও বলেন, “অনেকের পরিবারে মা মারা গেছে, বাবা মারা গেছে, কারও জামা-কাপড়ও হয়নি। আমরা তাঁদের হাতে জামা-কাপড় তুলে দিলাম। এটা একদম অন্যরকম অনুভূতি। এঁনাদের মুখে হাসি দেখলে একটা আলাদা অনুভূতি হয়।”
অন্যদিকে, ব্যবসায়ী রাজ বসু বলেন, “এরা হেরিটেজের তকমা পেয়েছে। এর সঙ্গে প্রায় ১০০ বছর ধরে সকল ঢাকিরা এখানে এসে বিভিন্ন মন্ডপে ঢাক বাজাতে চলে যান। ঢাকি ছাড়া দুর্গোৎসব ফিকে। তাই তাদের হেরিটেজ তকমার জন্য দরবার করব। এবার ছোট করে হলেও ওঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।” পরবর্তীতে রেলের সঙ্গে কথা বলে টাউন স্টেশনে বড় আকারের অনুষ্ঠান করবার চিন্তা ভাবনা করছে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।










