আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল শুরু থেকেই ঝকঝকে। শহর বদলালেও বদলায়নি ঝাঁজ। চার্চিল ব্রাদার্সের পরে ইন্টার কাশী, লাল হলুদ স্টিম রোলার অব্যাহত। আইএসএলের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫-১ গোলে জয় ইস্টবেঙ্গলের। গোল করলেন দানি রামিরেজ, পিভি বিষ্ণু, একে লোবা (২), জলনস্কির গোল। অন্যদিকে লালচুননুঙ্গার আত্মঘাতী গোল করেন। এই ম্যাচ জিতে দুই ম্যাচে দুই জয় পেল লাল হলুদ বাহিনী। জোড়া জয়ের ফলে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে বেঙ্গালুরু এফসিকে পেছনে ফেলল তারা (Inter kashi vs east Bengal fc)।
শুরু থেকে বল এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় লাল হলুদ। আট মিনিটে রশিদের থেকে বল পেয়ে লোবা তা রামিরেজকে বাড়িয়ে দেন। স্প্যানিশ উইঙ্গার অনায়াস নৈপুণ্যে বল জালে পাঠান। রোটেশন পদ্ধতি প্রয়োগ করে হাবাস প্রথম ম্যাচের একাদশে একাধিক বদল করেন। এডমুন্ড, ডেভিড, জিভুলিচ, জিকসন, রোহিত দানুকে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে একাদশে রাখেননি। তাতে দলের পারফরম্যান্সে কোনও প্রভাব পড়েনি। বরং আরও ঝকঝকে ইস্টবেঙ্গল।
Inter kashi vs east Bengal fc: ১৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোল
১৬ মিনিটে ফের গোল লাল-হলুদের। একে লোবার পাস ধরে গোল পিভি বিষ্ণুর। এই সময় সারা মাঠ জুড়ে লাল হলুদ দাপট। ২২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ইস্টবেঙ্গলের তৃতীয় গোল একে লোবার। বক্সের মধ্যে রামিরেজকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টি দেন। গোল করতে ভুল করেননি লোবা। আইভরি কোস্টের ফুটবলারটি মাঠ জুড়ে জাত চেনালেন। চার্চিলের বিরুদ্ধে ঝলক দেখিয়েছিলেন ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের। ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে দলের প্রথম চার গোলের তিনটিতে অবদান রাখলেন। ফলে শানিত দেখাল ইস্টবেঙ্গল আক্রমণ।
২৮ মিনিটে ডানদিক থেকে আসা আক্রমণ বিপদমুক্ত করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে ফেলেন লালচুননুঙ্গা। ছোট ভুলে গোলের ধাক্কা ভুলে ফের গোলের সরণিতে ইস্টবেঙ্গল। ৩৫ মিনিটে বিপিন সিং-এর সেন্টার থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চার নম্বর গোল একে লোবার। প্রথমার্ধে চার গোলের সঙ্গে কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গিয়েছিল। দেখার ছিল ব্যবধানে বাড়ে কি না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হাবাস তুলে নেন রশিদ এবং বিপিন সিং কে। বদলে মাঠে আসেন জিকসন সিং এবং ইকোনোমিডিস। ৫৯ মিনিটে লোবোকে তুলে নিয়ে জলনস্কিকে নামানো হয়।
সম্পূর্ণ ভারতীয় ব্রিগেডে গড়া ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের দাপট তাতে কমেনি। ৮১ মিনিটে ইকোনোমিডিসের পাস থেকে জলনস্কির গোল। ইস্টবেঙ্গল ৫-১। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন দুজন। স্বল্প সময়ে দুজনেই কোচের আস্থার মান রাখলেন। ম্যাচের মোট ছয় গোলেই ইস্টবেঙ্গলের অবদান।












