৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কলম্বিয়ায়। সোমবারের এই ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত প্রায় ৫৭০ জন। দেশের একাধিক শহরে বাড়ি, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। (Colombia Earthquake)
ধসে পড়েছে বাড়ি, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এস্প্রিয়েলা জানিয়েছেন ভূমিকম্পে অন্তত ১,৫৭৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ১৮টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ৫২টি স্কুল। অন্তত ৬১টি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সরকার। (Colombia Earthquake)
এখনও পর্যন্ত ২১টি আফটার শক অনুভূত হয়েছে। আরও কম্পনের আশঙ্কায় সতর্ক করেছে কলম্বিয়া। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ত্রাণ ও পুনর্গঠনের কাজ দ্রুত শুরু করার চেষ্টা চলছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ধ্বংসের ছবি
ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন শহরের পরিস্থিতির ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পেরেইরায় একটি চারতলা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। মানিজালেসে শহরের ঐতিহাসিক নব্য-গথিক ক্যাথিড্রালের একটি পাশের টাওয়ারও ধসে পড়ে। রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসাবশেষ।
ক্যালিতে ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে ছয় মাসের একটি শিশুকন্যা এবং তার মাকে উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। অন্য একটি ভিডিয়োয় ক্যালির একটি হাসপাতালের জানলা দিয়ে দড়ি বেয়ে মানুষকে নামিয়ে আনতে দেখা যায়। (Colombia Earthquake)
‘Ring Of Fire’-এ ভূমিকম্প
ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল কলম্বিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। এলাকাটি ‘Ring Of Fire’-এর অংশ। বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এই অঞ্চলে নিয়মিত শক্তিশালী কম্পন হয়।
চোকো অঞ্চলে ঘন জঙ্গল এবং যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল। বহু এলাকায় নৌকা বা বিমানে পৌঁছতে হয়। ফলে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব পেতে সময় লাগতে পারে।
উত্তর-পশ্চিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূকম্পবিদ সুজান ভ্যান ডার লি জানান, ভূমিকম্পটি অনেক গভীরে হলেও এর শক্তিশালী কম্পন জনবসতিপূর্ণ উপত্যকাগুলিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। নতুন সরকারের সামনে এই বিপর্যয় এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। (Colombia Earthquake)
আরও পড়ুন :- গেরুয়া রাখিতে ভরছে বাজার, কালনা থেকে অযোধ্যায় যাচ্ছে হাজার হাজার রাখি










