শিক্ষা ক্ষেত্রে ভঙ্গুর পরিকাঠামো, বাড়ন্ত মূল্যবৃদ্ধি-সহ একাধিক ইস্যুতে বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স। প্রথম দিকে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন শুরু হলেও এখন তা হিংসাত্মক রূপ নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ফ্রান্সজুড়ে প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। যা আগের সংখ্যার থেকে অনেকটাই কম। অন্যদিকে, বিক্ষোভ রুখতে মরিয়া প্রশাসন। হুমকির মুখে পড়ছেন পড়ুয়ারা, এমনটাই অভিযোগ (france protests)।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ৭০ হাজার মানুষ প্যারিসে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেন। শেষ মুহূর্তে পুলিশ মিছিলটিকে শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যায়। তবে আয়োজকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষেরও বেশি এবং ২৪ অক্টোবর তা ছিল ৪ লক্ষ ১০ হাজার।
france protests: বিক্ষোভ রুখতে মরিয়া প্রশাসন
শনিবার বিকেল পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচিগুলি শান্তিপূর্ণই ছিল। তবে লিওঁ ও তুলুজে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। মার্সেইতে পদযাত্রা শেষ হতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। ১৭ই অক্টোবরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না হয়, সেই কারণে বিক্ষোভস্থলে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হিংসা ও লুটপাট রুখতে সারা দেশে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
প্যারিসে মিছিলের স্থান পরিবর্তন
অন্যদিকে, শনিবার ‘নাসিওঁ’ (Nation) ও ‘বাস্তিল’ (Bastille) চত্বরের মধ্যবর্তী এলাকায় মিছিল করার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত। এর ফলে শ্রমিক ইউনিয়নগুলির করা মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ‘ইউনিয়ন এতুদিয়ান্ত’ (Union etudiante) সংগঠনের মুখপাত্র সাবরিন খারবাখ বলেন, “আগামী মঙ্গলবার থেকে আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়গুলিতে অবরোধ শুরু করব। বৃহস্পতিবারও আমরা একই কর্মসূচি পালন করব এবং এরপর ৫ নভেম্বর শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা বিক্ষোভে যোগ দেব।”













