এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হলেন জাহাঙ্গির খান (Jahangir Arrested)। নেপাল সীমান্ত দিয়ে পালানোর ছক কষছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার এই তৃণমূল নেতা। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন জাহাঙ্গির। নির্বাচনের পর থেকেই ঘরছাড়া ছিলেন। সূত্রের খবর, নেপালে বাড়ি ভাড়া করেছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সকলের চেখে ধুলো দিয়ে নেপালে থাকার চিন্তা ভাবনা করেছিলেন জাহাঙ্গির। তারপর সুযোগ বুঝে সেখান থেকে বাংলাদেশ অথবা অন্য কোনও দেশে গিয়ে গা ঢাকা দেওয়ার কথাও ভাবছিলেন। সম্প্রতি সন্তানদের নেপালের একটি স্কুলে ভর্তি করেছিলেন তিনি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে STF- অভিযানে নামে। সেই মতো জাহাঙ্গিরের ফোন ট্র্যাক করেন তদন্তকারী অফিসাররা। জানতে পারেন নেপাল-বাংলাদেশ সীমান্তে রয়েছেন। এরপরই STF-এর তদন্তকারী দলের আধিকারিকেরা নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন। পুলিশ আসছে সেই খবরও পেয়ে যান জাহাঙ্গির। সেখান থেকেও পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হন জাহাঙ্গির(Jahangir Arrested)।
তোলাবাজি, ভয় দেখানো, লুঠপাঠ, খুনের চেষ্টা থেকে শুরু করে নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, নির্বাচনের আগে SIR-এর সময় থেকেই জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। বিএলও-র ওপর প্রভাব খাটিয়ে মৃতদের নাম তালিকায় তোলানোর অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তাঁর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। এমনকী নির্বাচনের আগেও ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল এই জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে।
তবে গত ২১ মে ফলতায় রি-পোল থেকে সরে দাঁড়ান জাহাঙ্গির খান। সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানিয়ে দেন তিনি। সেই ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন জাহাঙ্গির। বাড়িও তালা বন্ধ ছিল। দলীয় অফিসেও দেখা যেত না তাঁকে। হয়তো সেই সময় থেকেই পালানোর ছক কষছিলেন তিনি।
গত দুদিন আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার গ্রেফতারিতেও উত্তেজনা ছড়ায় রাজনৈতিক মহলে। অবশেষে কামালগাজি অঞ্চল থেকে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করে এনআইএ। আর এবার গ্রেফতার হলেন জাহাঙ্গির।















1 thought on “ঝুঁকে গেল ‘পুষ্পা’, নেপাল সীমান্ত থেকে STF-এর হাতে গ্রেফতার জাহাঙ্গির খান”
Comments are closed.