বামপন্থী ও সিজেপি-র (CJP) বিক্ষোভে ছাত্র-যুবদের অংশ নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তীব্র সমালোচনার মুখে তামিলনাড়ু সরকার। এবার সেই বিতর্কিত নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিলেন থালাপাতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার। গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হওয়ার অভিযোগে বামমহল ও সিজেপি তীব্র প্রতিবাদ জানালে সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয় (Tamil Nadu Government)।
Tamil Nadu Government: নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক
গত ১৪ অগস্ট স্কুল ও উচ্চশিক্ষা দফতরকে সেই বিতর্কিত নির্দেশিকা পাঠানোর পর থেকেই রাজ্য জুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এরপরই বুধবার এই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেয় তামিলনাড়ু প্রশাসন। সিজিপির আহ্বায়ক সৌরভ দাস এই নির্দেশিকাকে বিজয় সরকারের একটি “অসাংবিধানিক” এবং “অযৌক্তিক” পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন। তবে বিজেপি এটিকে সমর্থন জানায় এবং নেতা বিনোজ পি সেলভাম সিজেপি ও বাম সংগঠনগুলিকে বিশৃঙ্খলার দালাল বলে আখ্যা দেন।
উল্লেখ্য, টিভিকে (TVK)-কে তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য এই বাম সংগঠনের দলগুলিই শর্তহীন ভাবে সমর্থন জানিয়েছিল। বিধানসভায় একক বৃহত্তম দল হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে বিজয়ের দলকে কংগ্রেস, ভিসিকে এবং বামপন্থীদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হয়েছিল (Tamil Nadu Government)।
দেশ জুড়ে ছাত্রসমাজের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক চাপের মুখে ১৯ অগস্ট এই নির্দেশিকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করে কলেজগুলির কাছে নতুন নির্দেশ পাঠায় তামিলনাড়ুর উচ্চশিক্ষা দফতর।
প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাব্যবস্থার নানা ত্রুটি নিয়ে দেশ জুড়ে ছাত্রযুবদের মধ্যে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজিপির বিক্ষোভে চরম উত্তাপ ছড়ায় দেশজুড়ে। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আহত হন বহু ছাত্র। ছাত্রদের চাপের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। শুধুতাই নয়, ছাত্রদের সব দাবি মানতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় সরকার। শুধুমাত্র দিল্লি নয়, এই আন্দোলন দেখা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও চণ্ডীগড়ের মতো রাজ্যগুলোতেও। তামিলনাড়ুও বাদ যায়নি এর থেকে।













1 thought on “বাম CJP-র মিছিলে নিষেধাজ্ঞা নয়, চাপে পড়ে পিছু হঠল তামিলনাড়ু সরকার”