আবশেষে জয় এলো। কিন্তু ম্যাচ গড়ালো টাইব্রেকার পর্যন্ত। টাই ভাঙার চ্যালেঞ্জ সামলে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত সময় এস সি দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচ গোলশূন্য থাকার পরে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। আর তাতে সেখানে ৫-৩ ব্যবধানে জয়ী লাল হলুদ ব্রিগেড। দিল্লি এফসির পেনার শট বাঁচান প্রোভসুখন গিল। ম্যাচের প্রথমার্ধে রদ্রিগোর পেনাল্টি বাঁচিয়ে ছিলেন লাল হলুদ গোলরক্ষক। টাইব্রেকারেরও প্রতিপক্ষের প্রথম শট বাঁচিয়ে নায়ক। টাইব্রেকারের আনোয়ার আলি, রোহিত দানু, নুঙ্গা, ক্রিস ইকোনোমিডিস, রশিদ গোল করেন (durand cup 2026)।
durand cup 2026: ম্যাচের সেরা ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক
এসসি দিল্লির প্রথম শট জুয়ান পেনার, বাঁচান গিল। এরপর রদ্রিগো, ডুভান, মহম্মদ আইমেন গোল করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ম্যাচের সেরা ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক প্রোভসুখন গিল।
২০২৩-এর পর ডুরান্ডের ফাইনালে লাল হলুদ
২০২৩ সালের পরে ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে লাল হলুদ। রবিবার প্রতিপক্ষ মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট না নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এর মধ্যে কোন দল তা ঠিক হবে লক্ষীবারের শিলং দ্বৈরথে।
সুযোগ নষ্টের প্রকারভেদের উদাসরণ হিসেবে দিল্লি এসসি বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচটিকে বলা যায়। তিনটি শট পোষ্টে, দুটো ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে না পারার ব্যর্থতায় বিদ্ধ লাল হলুদ ফুটবলাররা। যা দেখে একটা সময় আন্তেনিও লোপেজ হাবাস গেঞ্জিতে মুখ ঢাকলেন।
কোন সুযোগটি সহজ- হতে পারে তর্ক
তিন মিনিটে জেসিন টিকের পাস থেকে ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ বিপিন সিং। ১৬ মিনিটে রশিদের ফ্রিকিক বারে লেগে প্রতিহত হয়। ১৯ মিনিটে দানি রামিরেজের পাস জেসিন টিকের শট পোষ্টে লেগে বাইরে যায়। ৪২ মিনিটের বিপিনের শট সাইড নেটে লাগে। তার আগে ৩৫ মিনিটে রদ্রিগোর পেনাল্টি বাঁচান প্রোভসুখন গিল। সন্দীপ মাণ্ডি বক্সের মধ্যে রদ্রিগোকে ল্যাং মেরে ফেলে দিলে রেফারি পেনাল্টি দিয়েছিলেন। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল গোলশূন্য অবস্থায় সাজঘরে যায়।
এস সি দিল্লি দলটি গ্রুপ সি এর এক নম্বর দল হিসেব কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। শেষ চারে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় পাঁচ গোলে জয় তুলে নেওয়ার মধ্যে ছিল প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার বার্তা। বুধসন্ধ্যার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দিল্লি দেখালো তারা কাগুজে বাঘ।
বিরতির পরেও একই ছবি ইস্টবেঙ্গলের। ফের রশিদের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট পোষ্টে লেগে প্রতিহত হয়। ম্যাচের বয়স তখন ৭৪। এক মিনিট পরে পরিবর্ত হিসেবে নামা ডেভিড গোল লাইন থেকে ফুট খানেক দূর থেকে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ। এছাড়াও দানি রামিরেজ এবং জেসিন টি কে থাকবেন সহজ সুযোগ নষ্ট করার তালিকায়। কার্যত একের পর এক সুযোগ নষ্ট প্রতিপক্ষের ওপর নিয়ন্ত্রক হয়েও ইস্টবেঙ্গল পুরো নব্বই মিনিট শেষ করে গোলশূন্য অবস্থায়।












1 thought on “ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, দিল্লি এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়ালো টাইব্রেকারে”